Notice

YouTube.com/BESTTravelers - Visit and SUBSCRIBE to our travel related YouTube Channel named "BEST Travelers"
Showing posts with label History & Culture. Show all posts
Showing posts with label History & Culture. Show all posts

Friday, August 16, 2019

ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানের নামকরণের ইতিকথা

ইন্দিরা রোডঃ
এককালে এ এলাকায় "দ্বিজদাস বাবু" নামে এক বিত্তশালী ব্যক্তির বাসাস্থান, অট্টলিকার পাশের সড়কটি নিজেই নির্মাণ করে বড় কন্যা "ইন্দিরা" নামেই নামকরণ

পিলখানাঃ
ইংরেজ শাসনামলে প্রচুর হাতি ব্যবহার করা হত। বন্য হাতিকে পোষ মানানো হত যেসব জায়গায় তাকে বলা হত পিলখানা। বর্তমান "পিলখানা" ছিলো সর্ববৃহৎ

এলিফ্যানট রোডঃ
পিলখানার হতে হাতিগুলোকে নিয়ে যেতো "হাতির ঝিল"এ গোসল করাতে তারপর "রমনা পার্ক"এ রোঁদ পোহাতো সন্ধ্যের আগেই পিলখানায় চলে আসতো যাতায়াতের রাস্তাটির নামকরণ "এলিফ্যান্ট রোড" পথের মাঝে ছোট্ট একটি কাঠের পুল ছিলো "হাতির পুল"

কাকরাইলঃ
ঊনিশ শতকের শেষ দশকে ঢাকার কমিশনার ছিলেন মিঃ ককরেল। নতুন শহর তৈরী করে নামকরণ "কাকরাইল"

রমনা পার্কঃ 
অত্র এলাকায় বিশাল ধনী রম নাথ বাবু মন্দির তৈরী করেছিলো "রমনা কালী মন্দির" মন্দির সংলগ্ন ছিলো ফুলের বাগান আর খেলাধুলার পার্ক। পরবর্তীতে সৃষ্টি হয় "রমনা পার্ক"

গোপীবাগঃ
গোপীনাগ নামক এক ধনী ব্যবসায়ী ছিলেন। নিজ খরচে "গোপীনাথ জিউর মন্দির" তৈরী করেন পাশেই ছিলো হাজারো ফুলের বাগান "গোপীবাগ"

চাঁদনী ঘাটঃ
সুবাদার ইসলাম খাঁর একটি বিলাসবহুল প্রমোদতরী ছিলো এবং নিত্যনতুন নারী নিয়ে আসতো। প্রমোদতরীর নাম ছিলো "চাঁদনী" যেই ঘাটে তরীটি বাঁধা থাকতো "চাঁদনী ঘাট"

টিকাটুলিঃ
হুক্কার প্রচলন ছিলো হুক্কার টিকার কারখানা ছিলো "টিকাটুলি"

তোপখানাঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর গোলন্দাজ বাহিনীর অবস্থান ছিল এখানে।

পুরানা পল্টন, নয়া পল্টনঃ
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর ঢাকাস্থ সেনানিবাসে এক প্ল্যাটুন সেনাহিনী ছিল, প্ল্যাটুন থেকে নামকরন হয় পল্টন,পরবর্তীতে আগাখানিরা
এই পল্টনকে দুইভাগে ভাগ করেন নয়া পল্টন ছিল আবাসিক এলাকা আর
পুরানো পল্টন ছিল বানিজ্যিক এলাকা

বায়তুল মোকারম নামঃ
১৯৫০-৬০ দিকে প্রেসিডেন্ট আয়ুবের সরকারের পরিকল্পনা পুরানো ঢাকা-নতুন ঢাকার যোগাযোগ রাস্তার। তাতে আগাখানীদের অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,আবাসিক বাড়িঘর চলে যায়। আগাখানীদের নেতা আব্দুল লতিফ বাওয়ানী(বাওয়ানী জুট মিলের মালিক)সরকারকে প্রস্তাব দিলো, আমাদের নিজ খরচে এশিয়ার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ মসজিদ তৈরী করবো। এটা একটা বিরাট পুকুর ছিল "পল্টন পুকুর", এই পুকুরে একসময় ব্রিটিশ
সৈন্যরা গোসল করতো। ১৯৬৮ সনে মসজিদ ও মার্কেট প্রতিষ্ঠিত হয়

ধানমন্ডিঃ
এখানে এককালে বড় একটি হাট বসত। হাটটি ধান ও অন্যান্য শস্য বিক্রির জন্য বিখ্যাত ছিল।
:
পরীবাগঃ
পরীবানু নামে নবাব আহসানউল্লাহর এক মেয়ে ছিল। সম্ভবত পরীবানুর নামে এখানে একটি বড় বাগান করেছিলেন আহসানউল্লাহ।

পাগলাপুলঃ
১৭ শতকে এখানে একটি নদী ছিল, নাম – পাগলা। মীর জুমলা নদীর উপর সুন্দর একটি পুল তৈরি করেছিলেন। অনেকেই সেই দৃষ্টিনন্দন পুল দেখতে আসত। সেখান থেকেই জায়গার নাম "পাগলাপুল"
:
পানিটোলাঃ
যারা টিন-ফয়েল তৈরি করতেন তাদের বলা হত পান্নিঅলা। পান্নিঅলারা যেখানে বাস করতেন সে এলাকাকে বলা হত পান্নিটোলা। পান্নিটোলা থেকে পানিটোলা।

ফার্মগেটঃ
কৃষি উন্নয়ন, কৃষি ও পশুপালন গবেষণার জন্য বৃটিশ সরকার এখানে একটি ফার্ম বা খামার তৈরি করেছিল। সেই ফার্মের প্রধান ফটক বা গেট থেকে এলাকার নাম ফার্মগেট।

শ্যামলীঃ
১৯৫৭ সালে সমাজকর্মী আব্দুল গণি হায়দারসহ বেশ কিছু ব্যক্তি এ এলাকায় বাড়ি করেন। এখানে যেহেতু প্রচুর গাছপালা ছিল তাই সবাই মিলে আলোচনা করে এলাকার নাম দেন শ্যামলী।

সূত্রাপুরঃ
কাঠের কাজ যারা করতেন তাদের বলা হত সূত্রধর। এ এলাকায় এককালে অনেক শূত্রধর পরিবারের বসবাস ছিলো।

সুক্কাটুলিঃ
১৮৭৮ সালে ঢাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ব্যবস্থা চালু হয়। এর আগে কিছু লোক টাকার বিনিময়ে চামড়ার ব্যাগে করে শহরের বাসায় বাসায় বিশুদ্ধ খাবার পানি পৌঁছে দিতেন। এ পেশাজীবিদেরকে বলা হত ‘ভিস্তি’ বা ‘সুক্কা’।
ভিস্তি বা সুক্কারা যে এলাকায় বাস করতেন সেটাই কালক্রমে সিক্কাটুলি নামে পরিচিত হয়।

ধোলাই খাল
ঢাকা শহরের বাণিজ্যিক ব্যস্ততম খাল ছিলো যা সরাসরি বুড়িগঙ্গা হয়ে বিশ্বের যোগাযোগ ছিল। খালের দুধারে ছিলো কাঠের আসবাবপত্রের দোকান এবং ধুপা-ঘর। কাঠের সামগ্রী আর ধুপারা কাপড় ধুতো সে থেকেই "ধোলাই খাল"

স্বামীবাগঃ
"ত্রিপুরালিংগ স্বামী" নামে এক ধনী এবং রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি এ এলাকায় বাস করতেন। তিনি সবার কাছে স্বামীজি নামে পরিচিত ছিলেন। তার নামেই এলাকার নাম হয় স্বামীবাগ।

মালিবাগঃ
ঢাকা একসময় ছিল বাগানের শহর। বাগানের মালিদের ছিল দারুণ কদর। বাড়িতে বাড়িতে তো বাগান ছিলই, বিত্তশালীরা এমনিতেও সৌন্দর্য্য পিপাসু হয়ে বিশাল বিশাল সব ফুলের বাগান করতেন। ঢাকার বিভিন্ন জায়গার নামের শেষে ‘বাগ’ শব্দ সেই চিহ্ন বহন করে। সে সময় মালিরা তাদের পরিবার নিয়ে যে এলাকায় বাস করতেন সেটাই আজকের মালিবাগ।

Courtesy: Asif A Chowdhury

Friday, March 1, 2019

Short history of the creation from British India to Bangladesh

Before 1947 Bangladesh, India and Pakistan were one country named British India.

In 1947 British has divided the country into two parts, 1) Pakistan (West and East) and 2) India based on the 2 main religions (Hinduism and Islam) before they leave India after ruling 190 years.

Later in 1971 we (East Pakistan) took our independence from Pakistan because of West Pakistan's racism, injustice, torture, and killing. Finally, we become Bangladesh.

Now most of the Bangladeshi people hate Pakistan because of 1971 and people hate India too because of 1) Indian's bad behavior to us, 2) border killings of our people and 3) imbalance of give & take as a country in last 30-40 years.

কেন বাংলাদেশিরা ভারতকে ঘৃণা করে?

১৯৭১ সালে পাকিস্তানিরা বাংলাদেশ এর ৩০ লক্ষ মানুষকে মেরেছিলো। এখন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম বদলেছে। আপনি এখন যদি কোন বাংলাদেশী মানুষকে প্রশ্ন করেন আপনি পাকিস্তান কে দেখতে পারেন? তখন সেই মানুষটির উত্তর আসবে "না" কিন্তু যখন তাকে প্রশ্ন করবেন, আপনি ভারত বা পাকিস্তান কাকে সাপোর্ট করেন? তখন হয়তো বলবে, পাকিস্তানকে। কেন বলবে?

আসুন বুঝিয়ে দি....
  1. ৭১ এ যুদ্ধ শেষে ২৭০০ কোটি টাকার অস্ত্র-সরঞ্জাম লুট করেছিলো ভারতীয় সেনাবাহিনী? ( অমৃতবাজার দৈনিক-১২ মে ১৯৭৪)
  2. ৭৪ সালের চুক্তি সত্বেও ভারত তিন বিঘা করিডোর হস্তান্তর করেনি বাংলাদেশকে !
  3. ৭৫ থেকে বাংলাদেশকে পানির নায্য হিস্যা দেয়নি। পদ্মা শুকিয়ে আজ বাথরুমের টাংকি ! বর্ষার পানি ছেড়ে দিয়ে সমুদ্র বানিয়ে দেয়। বছরে ২০০ কোটি টাকার ফসল উৎপাদন বন্ধ ! স্বার্থ অনুযায়ী খড়া মৌসুমে তারা বাধ দিয়ে পানি আটকে রাখে, আর ভরা মৌসুমে বাধ ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশকে ভাসিয়ে দেয়!
  4. প্রতিবাদের পরেও টিপাইমুখে বাধ দিচ্ছে তারা! সিলেটের ১৬ জেলা মরুভূমি হয়ে যাবে !
  5. হিন্দি চ্যানেল প্রচার করতে ৩০০০-৪৫০০ কোটি টাকা ভারতকে দেয়া হয়। কিন্তু বাংলাদেশী চ্যানেল ভারতে নট অ্যালাউড!
  6. গত ৪৪ বছরে ৬১হাজার বাঙ্গালীকে সীমান্তে হত্যা করেছে ! (অনলাইন তথ্য)
  7. আমাদের বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন! সেই সুন্দরবনকে ধ্বংসের জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে! কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রথমে সুন্দরবনের ইন্ডিয়া অংশে হওয়ার কথা ছিলো। সে দেশের পরিবেশবাদীরা প্রতিবাদ করলে কয়েক বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশী সরকারের সহায়তায় এ দেশেই করার সিদ্ধান্ত হয়।
  8. যুদ্ধ করেছে হাজার হাজার বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু আজও ভারতীয়রা বলে আসছে তারা ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করেছে এবং বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে।
  9. ভারত ৪২ বছর ধরে স্বাধীনতায় সহযোগিতার নামে বাংলাদেশ শোষণ করছে ! ইন্ডিয়ার ২য় সর্বোচ্চ বৈদেশিক রেমিটেন্স আসে বাংলাদেশ থেক।
  10. ফেলানিকে মনে হয় ভুলে গেছেন আপনারা?? নির্মমতা হেরে গেছে সেখানে।
  11. বাংলাদেশ মিয়ানমার এর মধ্যে রোহিঙ্গা টপিক নিয়ে ভারত সরাসরি মিয়ানমার কে সাপোর্ট করেছিলো। এখনতো সে দেশ থেকে রোহিঙ্গাদের বে করে বাংলাদেশে আসতে ফোর্স করছে।
(সংগৃহীত)

আমার মনে হয় টাউট লোকজনের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে, অথবা মস্তিষ্ক বিহীনদের সংখ্যা বাড়ছে। যাহারা, এক স্টেপের উপরে কিছু ভাবতে পারে না বা চায়-ও না। দাবা খেলায় ক্যাসপারাভ ২৫-৩০ টা চাল পর পর্যন্ত চিন্তা করে। আর আমরা যত দ্রুত একটা ডিসিশনে আসতে পারবো সেই আহাম্মকীয় চেষ্টা। আমার মনে হয় স্কুলে অন্যান্য বিষয় শিখানোর সাথে সাথে ‘লজিক এন্ড ডিসক্রিট ম্যাথমেটিক্স’ শেখানো উচিত। একটা উদাহরণ দেই,

বৃষ্টি হলে আমরা খেলবো না।

এই লাইনটা থেকে আমরা কি বুঝলাম আর কি ডিসিশনে আসতে পারি? আমার ধারনা, প্রচুর পরিমান মানুষ ডাইরেক্ট ডিসিশনে চলে যাবে যে, আজকে বৃষ্টি না হলেই খেলা হবে। যেমন কিছু আহাম্মক যখন ডিসিশন নিয়ে ফেলে যে, কেউ ইন্ডিয়ার সাপোর্ট করে না মানেই হলো তারা পাক প্রেমি। তাদের জন্য একটা হা হা হা। আরে গর্ধব, তোদের ধরে ধরে জেলে নিয়ে যাওয়া উচিত আর সেখানে জোর পূর্বক ‘লজিক এন্ড ডিসক্রিট ম্যাথমেটিক্স’ শেখানো উচিত। বৃষ্টি না হলেই যে খেলা হবে তোদের কে বলেছে সেটা? মাঠের ভিতর একটা উল্কা পিন্ড এসে পরতে পারে। একটা টীমের বাস খাদে পরে খেলোয়াররা আহত হতে পারে, আরও কত আনলিমিটেড ভেরিয়েবলস থাকতে পারে। কিন্ত, তা না, নিজেকে একটা ছাগল প্রমান করার জন্য উঠে পরে লাগতে হবে।

এখন আসি বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ কেন ইন্ডিয়ার সাপোর্ট করে না। এর পেছনে একদিনের কোন ঘটে যাওয়া কারন না। পাকিস্তান কে আমাদের ঘৃণা করার কারণ গুলা একটা একটা করে ভাবুন, পেয়ে যাবেন, ইন্ডিয়াকে ঘৃণা করার কারণ। ১৯৪৭ সালেই নিশ্চই তৎকালীন বাংলাদেশীরা পাকিস্তান কে ঘৃণা করতো না, পর্যায়ক্রমে ওদের কার্যকলাপে ঘৃণা আস্তে আস্তে জন্মেছে। একসময় সেই ঘৃণার বহি:প্রকাশ হয় ১৯৭১-এ। তখনও কিন্তু এই বাংলাদেশেরই কিছু সুবিধাবাদী লোক চোখে ঠুলি পরে বলেছিলো পাকিস্তান জিন্দাবাদ। যাদেরকে আমরা বলি রাজাকার। আজকে, এই ২০১৯-এ এসেও সেই ধরনেরই এক বিশেষ ধরণের মানুষ দেখা যায়, যারা ভারতের বাংলাদেশ শোষন দেখেও চোখে ঠুলি পরে আছে। এদের কি নামে ডাকবো?

কি শোষন?

আমি অতি সাধারণ এক বাংলাদেশী এবং সাধারণ একজন মানুষ হিসেবে যা দেখি তা হলো:

  1. ভারত আমাদের দেশে তাদের পন্য, টিভি চ্যানেল এক্সপোর্ট করে সয়লাব করে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছে আর আমরা যখন কিছু ভারতে এক্সপোর্ট করতে চাই তখন শুরু হয় সব নাটক। উচ্চ কর, বাংলাদেশী টিভি চ্যানেল ব্যান ইত্যাদি। মিল পাচ্ছেন? পাকি আমলের সাথে? আরও আছে, 
  2. একজন মানুষ হয়ে অন্য একটা মানুষকে হত্যা এবং ধর্ষণ করা গরুর মাংস খাওয়াকে কেন্দ্র করে। আর কিছু বলার নাই। নিজেদের মায়ের জীবন বাঁচাতে প্রত্যেকটা গরুখোরকে মারবে আর কোরবানীর সময় ওদের মা দের বাংলাদেশে এনে বেইচা দিবে। [আমি কথাটা অনেক ভদ্র ভাবে বলার চেষ্টা করেও এরকমই শোনাচ্ছে] শুবিধাবীদী ****** ****** দেশ। [পছন্দ অনুযায়ী গালি বসায় নিয়েন] 
  3. প্রতি বছর কত শত বাংলাদেশীদের বিনা বিচারে বর্ডারে মারা হচ্ছে, সেটা তো আমার চোখে লাগে, আমার গায়ে লাগে। 
  4. বর্ডারটা হচ্ছে অনেকটা হাফ ডুপ্লেক্স সিস্টেমের মত ওয়ান ওয়ে। ভারতের যখন যেমন মন চায় ঢুকবে, অস্ত্র ঢুকবে, ড্রাগ ঢুকবে, বড় বড় কম্পানির সিইও রা ঢুকবে, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে কিছু ঢুকতে পারবে না।
  5. পানি চুক্তি। আহারে, কি আর বলবো? যেটুকু পাইতেছি সেটুকু যে বন্ধ করে দিচ্ছে না, একারনেই মনে হয় ভারতের পা চাটা উচিত, তাইনা? ভয়, কবে আবার বন্ধ করে দেয়!! 
  6. সমুদ্রটাও দখল নিতে চেয়েছিলো, তাও ভালো পারে নাই 
  7. ১৯৭১ থেকে যারা ভারতে গিয়ে ভারতের নাগরিক, তাদের নাকি আবার বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে, অথবা বাংলাদেশের একটা অংশ দিয়ে দিতে হবে। চলেন, আমরা আবারো কিছুক্ষন হাসি। হা হা হা। 
  8. বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের জন্য সর্গ হলো ভারত। এসাইলাম সিকার দের বন্ধু, খুউব ভালো কথা। কিন্তু, লাখ লাখ অসহায় রহিঙ্গা যখন ভারতের কাছে সাহায্য চাইছিলো, তখনতো, ভারতের মানচিত্র পৃথিবীর মানচিত্রে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না।


লিখে তো আর শেষ করা যাবে না তবে শেষে একটা প্রশ্ন, যারা বিদেশে আছে তাদের ‘ক্যাইসে হো’ অভিজ্ঞতাটা কেমন? কত এরোগ্যান্ট আর সুপেয়রিটি কমপ্লেক্সে ভুগলে এমনটা করতে পারে?

আপনাদের কোন অভিজ্ঞতা থাকলে প্লিজ শেয়ার করুন সেই সব চোখে ঠুলি পরা লোক গুলার জন্য।


মনে কর, তুই জীবনে প্রথম কোন একটা ইন্ডিয়ানের সাথে দেখা হইলো, তোর চেহারা দেখেই বুঝে যায় যে তুই ইন্ডিয়ান। আর প্রথম যেই বাক্যটা মুখ থেকে বের হয়, সেটা হলো সুর দিয়ে, “ক্যাইসা হোওও”? আমার তখন মনে হয় কানের নিচে একটা লাগায় দিয়ে বলি, “হারামজাদা, তোরে দুইটা জুতার বারি”। কখনও যে বলি নাই তাও না। ওরা মনে করে আমাদের হিন্দি জানাটা ফরজ। আরেকটা ব্যাপার হয়, দেখলেই প্রশ্ন করে, “Are you from India?” মনে হয়, ইন্ডিয়া ছাড়া আর কোন দেশ পৃথিবীতে নাই। আমি এই প্রশ্ন শুনলেই এখন বলি, I am from ‘Kiribati’. তখন ওদের কনফিউজ্ড চেহারা দেখতে ভিষণ ভালো লাগে

Tuesday, January 3, 2017

২৪ বছরের প্রবাসীর গল্প...

এখন আর আমাকে নিয়ে আফসোস করি না. এখন আর পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করি না. এখন আর হারানো যৌবনের জন্য ভাবি না. এখন আর মধ্যরাত্রি দূস্বপ্নে ঘুম ভেঙে গেল একা একা কাঁদি না. এখন আর ২৪ বছরে ব্যর্থ প্রবাস জীবনের জন্য কাউকে দোষ দেই না.এখন আর ৪৫ডিগ্রী রোদের কাজ করার সময় একটু ছায়া খুঁজি না.জীবনের সমস্ত কষ্টগুলোকে আরবের মরুভুমিতে কবর দিয়েছি .তাই এখন আর আমার জীবনের কোন সুখের বা বেঁচে থাকার তাগিদা নেই. যতদিন বাঁচবে প্রবাসে বাঁচবে, যদি মরণ হয়ে যেন প্রবাসে হয়.এই জীবনটাই যাদের জন্য বিলিয়ে দিলাম প্রবাসে আজ তাঁরাই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু. যাদের সুখের জন্য প্রবাসে কাটিয়ে দিলাম ২যুগ তাঁরাই বলছে যোগ্যতার নেই বলে আমি আজ দুখি.

আজ থেকে অনেকদিন আগে বাবার সাথে যখন জমিতে ধান বুনতে বুনতে বাবাকে বলেছিলাম আমাকে বিদেশে পাঠান. আমি বিদেশ গিয়ে আপনের কষ্ট দূর করে দেব. আর অভাবে সাথে যুদ্ধ করতে হবে না. আমি ছিলাম বাবার প্রথম সন্তান তাই বাবার সাথে সব কাজ করতে হত আমাকে. আমারা ছিলাম ৩ভাই ৩বোন. যখন স্কুলের সময় সবাই স্কুলে যেত আর আমি যেতাম ক্ষেতে কাজ করতে. তবে এখন আর সেইদিন নেই ছোট ২ভাই দেশে ভাল চাকরি করে. বউ সন্তান নিয়ে নিজের ফ্লাট নিয়ে শহরে থাকে. ছোট ৩বোন চাকরি করে আর শ্বশুর বাড়িতে স্বামী সন্তান নিয়ে অনেক সুখে আছে. ওদের আর অভাবের সাথে যুদ্ধ করতে হয় না.আমার প্রবাস জীবনের প্রথম ১৫বছরের সব টাকা ওদের পড়ালেখা জন্য খরচ করছি. কখনো ওদের আমার কষ্টগুলো বুঝতে দেইনি. যখন যা চাইছে দিয়েছি. আর এখন মনে হয় এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল. এই ভুল প্রতিটি প্রবাসী করে.

আমি প্রথম ১০বছর পর বাড়ি গিয়ে বিয়ে করলাম. আমাদের বাড়িটা খুব ছোট ও একটা ঘর ছিল আমাদের. এতগুলো মানুষ একটা ঘর. যদিও বাবা বলতে ঘর তুলার জন্য. আমি বলতাম ওদের পড়ালেখা শেষ হোক তারপর ঘর তুলবো. তাই আমি বাড়ি গিয়ে ছোট্ট একটা ঘর তুললাম দুচালে. বিয়ে কয়েক মাস অনেক সুখে কাটালাম. বউয়ের আদর সোহাগ পেয়ে ভুলে গেলাম ১০প্রবাস জীবনের কষ্ট গুলোকে. আসলে পুরুষের জীবনের সতি্যকারের স্বাদটা বিয়ে পরে আসে. সুখের দিন গুলো কখন যে ফুরিয়ে দেল বুঝতে পারলাম. ৬মাসের ছুটির শেষে বাবা হবো খবর পেয়েও সাথে করে ৩লক্ষ টাকা ঋন করে আবার চলে আসলাম সৌদিতে.প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো ছুটি শেষে আবার প্রবাসে আসা.এই কষ্টটা শুধু প্রবাসীরাই বুঝতে পারে.প্রবাস জীবনের না পাওয়া ও হিসাব মিলাতে মিলাতে কেটে গেল অনেকগুলো বছর.

এখন আমার ২৪বছর প্রবাস জীবনে আর আমার বয়স ৫৬. এখন আমার সংসারে অনেক বড় হয়ে গেছে ৩মেয়ে ও ১ছেলে. ছেলেটা সবার ছোট. অনেকদিন ধরে ভাবছি দেশে চলে যাবো. এখন আমার কাছে ১০লক্ষ টাকা আছে . মেয়েগুলো বিয়ে সময় হয়ে যাচ্ছে. এই টাকাগুলো মেয়েদের বিয়ে দিতে খরচ হয়ে যাবে. তাহলে ছেলেটার ভবিষৎ কি? এই নিয়ে প্রতিদিন বউয়ের সাথে ঝগরা. অনেক ভেবে দেখলাম বউয়ের কথাগুলোই সতি্য, যে টাকা আছে ভাল পরিবারে মেয়ে বিয়ে দিতে গেল সব টাকা শেষ তাহলে ছেলের ভবিষৎ. আর এদিকে আমি ও বয়সের ভারে কালান্ত. 
  • আমাদের বাড়িটা ছিল ১৫শতাংশ ও বিলে কিছু জয়গা আছে. ২ভাইয়ের ৪ছেলে ও আমার এক ছেলে ভবিষৎ ঘর তুলার জয়গা থাকবে না, আবার বোনের অংশ আছে. 
  • বউ প্রায় বলতে আপনে তো ভাইবোনের জন্য অনেক কিছু করলেন ও তারা বাড়িতে থাকে না. বাবাকে বলেন আমাদের ছেলে জন্য ৩বোনের জয়গার অংশ লিখে দিতে. বউ বললো আপনের ২ভাই ঢাকা বাসায় নিয়ে ছেলে মেয়ে নিয়ে তো অনেক সুখে আছে ও আপনের বোনেরা নিজ সংসার নিয়ে অনেক সুখে আছে ওদের তো কোন কিছু অভাব নেই. আপনের কাছে কিছু টাকা আছে আর বিলের একটু জয়গা বেঁচে সেই টাকাগুলো দিয়ে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ও একটা সিএনজি কিনে চালাবেন এত আমরা সুখে থাকতে পারবো হয়তো আপনের ভাইবোনদের মত বিলাসীতা থাকবে না. ছেলেটার জন্য বাড়িটা তো আছে. বউয়ের কথাগুলো এক মাস ভাবে দেখলাম সতি্য বলছে.
  • একদিন বাবাকে বললাম বউয়ের সেই কথাগুলো .কথাগুলো শুনে বাবা রেগে গেলেন অনেক গালাগালি করলেন. আর বললেন ওনি বেঁচে থাকতে কাউকে জায়গা দিবে না. ও বিক্রি করতে দেবে না. আর হাজারটা প্রশ্ন আমার এত বছরের টাকা কি করলাম সব টাকা নাকি শ্বশুরবাড়িতে দিয়েছি.
  • বাবার একটা কথায় অনেক কষ্ট পাইছি আমার ভাইবোনেরা তাদের যুগ্যতায় আজকে নাকি সফল ও সুখে আছে. আমি নাকি গন্ড মূর্খ তাই আমার কপালে এত কষ্ট.আর ওনার ছেলে মেয়েদের এক সুতা অংশ আমাকে টাকা বাদে দিবে না যদি টাকা দেই তাহলে ভাইবোনেরা দিবে.
  • এই নিয়ে আমার বউয়ের সাথে প্রতিদিনই অনেক ঝগরা হয়. আমি বাবাকে বলেছিলাম আজ আমার ভাই বোনের সফল হত না যদি আমি টাকা না দিতাম. ওদের ক্ষেতে চাষ করে খেতে হত. এর পর বাবা বললো আমি জানি তোর কষ্ট . আমি তোর ভাইবোনদের জিজ্ঞাসা করবো যদি দেয় তাহলে তোকে লিখে দেবো নয়তো পারবো না.কারন তুই আমার সন্তান ওরা আমার সন্তান .যত থাকুক ওদের সম্পদ. কিছুদিন পর বাবা বললো ওরা টাকা ছাড়া জায়গা দেবে না.
  • আমি আর বাবাকে কিছু বলি নাই. আমি বাবাকে দোষ দেই না কারন তার কাঁছে সবাই সমান. তবে পরে জানতে পারছি বাবা নাকি আমাকে জায়গা দিতে চেয়ে ছিলো. ভাইবোনদের প্ররোচনার কারনে দিতে পারে নাই. বাবাকে বলছে আমি বিদেশ থাকি যদি আমার বউ দেখেশুনা না করে তখন বাবার নাকি কষ্ট হবে.
  • যাহা হোক আর আমিও জায়গা চাইতাম না যদি ভাইয়েরা গ্রামের বাড়ি থাকতো. তবে মা চেয়েছিলো আমি যেন জায়গাটা পাই. এরপর গ্রামের বিচার সালিশে জয়গার দাম ধরা হলো ১২লক্ষ টাকা. কি করবো অনেক ভেবে চিন্তা করে রাজি হলাম.
ভাইবোনদের জন্য তো ১০বছর প্রবাসে কাটালাম এখন যদি নিজের সন্তানদের জন্য কিছু না করি ওপারে গিয়ে কি জবাব দেবে. জীবনের বাকিটা সময় ছেলের জন্য না হয় কাটিয়ে দিলাম. ভাইবোনদের কাছে আজ আমি বেইমান ও খারাপ মানুষ এখন যদি নিজের ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু না করি তাহলে তো যতদিন বাঁচবো নিজের সন্তানদের কাছে অপরাধী হয়ে থাকতে হবে.মা বাবা ভাইবোন ও সমাজের সবাই জেনেও আজ প্রশ্ন করে এত বছরের টাকা কি করলাম. যখন আমার ছেলেটি না দেখে প্রশ্ন করে করবে কি এত বছরের টাকা কি করলাম, তখন কি জবাব দেবো ছেলেটির কাছে. তারপর কিছু টাকা ঋন করে বাড়ি ও বিলের জায়গা কিনে নিলাম.এখন আমি ৪লক্ষ টাকা ঋন নিয়ে বেঁচে আছি. ঋনের বোঝা এত ভারি যে কাউকে বুঝাতে পারবো না.

বার বার শুধু মনে পরছে কেন আমি আমার জন্য কিছু করলাম না. আজ বেইমান স্বার্থপর হয়ে গেলাম যদি আজ থেকে ১৫ বছরের আগে বেঈমান ও স্বার্থপর হতাম তাহলে আজকে এই বুড়া বয়সে কেদে কেদে প্রবাসে কাটাতে হত না. এখন তো ভাইবোন বাবা সবাই সুখে আছে. এখন আমার পরিবারের কেউ ডাকও দেয় না. তখন খুবই কষ্টে লাগে যখন শুনি ওদের ব্যবহারের কথা.

যাহা হোক প্রবাস জীবনের গল্প কখনো শেষ হবে না কারন আমরা প্রবাসে কখনো কঠিন ও বেঈমান স্বার্থপর হতে পারবো না. যে সমস্ত প্রবাসী ভাইয়েরা গল্পটি পড়বেন তাদের কয়েকটা কথা বলি. 
  • নিজের জন্য কিছু টাকা জমাবেন. নয়তো প্রবাস জীবন কখনো শেষ হবে না. আমার হয়তো কপাল খারাপ ভাইবোনদের বুঝাতে পারিনি.
  • এই পৃথিবীতে কেউ কারো নয় স্বার্থ ছারা. আজ যদি আমার ভাইবোন আমাকে একটু সহয়তা করতে তাহলে এখন বাড়ি যে কোন রকম খেয়ে কাটিয়ে দিতাম.
  • তবে সবার ভাগ্য এক নয়. আপনের ভাই হয়তো অনেক ভালো, আপনের ভাল চাইবে কিন্তু ভাইয়ের বউ কখনো চাইবে না. তেমনি বোন চাইলে বোনের স্বামী চাইবে না. 
  • এই পৃথিবীতে নিজের সন্তান চেয়ে কেউ আপন হয় না. আমি যেমন বাবার কাছে আপন ,তেমনি আবার ভাইয়ের কাছে ভাইয়ের সন্তান. আবার আমার কাছে আমার সন্তান. এখন ভাইয়েরা আমার চেয়ে নিজের সন্তানকে নিয়ে ভাববে ও সন্তানের ভবিষৎ চিন্তা করবে এটা আমাদের সমাজের নিয়ম.

এই গল্পটি সৌদিআরবের প্রবাসীর জীবন থেকে নেওয়া ও skype তে শুনে লেখা।

[Collected]

Monday, July 15, 2013

স্টেফানি ইসাক - এই ইহুদী মেয়েটির কারণে সারা দুনিয়া ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছিল

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে, তার নাম হেলেন । এটা সবাই জানি । কিন্তু স্টেফানি ইসাক (Stefanie Isak) নামটি কয়জন জানি ? ...১৬ বছরের এই ইহুদী মেয়েটির কারণে সারা দুনিয়া ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছিল !!

সালটি ১৯০৬, Vienna শহরে বসবাসরত মেয়েটির বয়স তখন ১৬... ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে ।একদিন রাস্তার ধারে বসে থাকা এক শিল্পীকে দিয়ে শখ করে মেয়েটি তার একখানা portrait বানালো । অসম্ভব রূপবতী এই নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে ওই যুবক শিল্পীটি তার প্রেমে পড়ে গেল । তার বয়স তখন ১৮...ছেলেটির স্বপ্ন চিত্রশিল্পী হওয়া । Academy of Fine Arts Vienna তে চেষ্টা করছে ভর্তি হবার জন্য, কিন্তু পারছে না । ছেলেটির অবসর কাটে রাস্তার ধারে ছবি এঁকে । আবার মাঝে মাঝে পথচারীদের portrait এঁকে দু-চার পয়সা রোজগার করে ।

শিল্পীদের মন অনেক রোম্যান্টিক হয় । এটাই স্বাভাবিক । তো পরদিনই মেয়েটিকে সে প্রপোজ করে । মেয়েটি হা বা না, কিছুই বলে না । ছেলেটি মাঝে মাঝে মেয়েটির বাড়ির সামনে গিয়ে বসে থাকতো, একপলক দেখার জন্য ।

বিশাল বাড়িটি উঁচু প্রাচীরে ঘেরা । বিশাল লোহার গেট । মাঝে মাঝে ছেলেটি তার পোষা কুকুরকে গেটের ফাঁক দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিত বাড়ির ভিতরে । কুকুরটির মুখে থাকত প্রেম পত্র ।কুকুরটি ছিল ছেলেটির অনেক প্রিয় । ভিয়েনা আসার সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল । বলা যায়, কুকুরটি ছিল মায়ের দেয়া শেষ উপহার । কারণ এরপর আর কোনদিন ছেলেটির দেখা হয়নি তার মা ক্লারার সাথে । তিনি মারা যান ।

মেয়েটির পরিবার বিষয়টি আমলে নিলো । ছেলেটি চালচুলোহীন, রাস্তার ছেলে । তার উপরে non-Jewish... এই সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয় । আর ছেলেটির ভবিষ্যত্‍ বলে কিছু নেই । তারা ছেলেটিকে বারবার বারণ করে দিলো ।

কিন্তু প্রেম কি আর বারণ শোনে ? ছেলেটি সুযোগ পেলেই মেয়েটিকে দূর থেকে দেখতো । উত্তর না এলেও প্রেম পত্র দিত । তো একদিন প্রেমপত্র সমেত কুকুরটিকে আবার পাঠালো মেয়েটির বাড়িতে । কিন্তু ওইদিন আর কুকুরটি ফিরে এল না । ছেলেটি সারারাত অপেক্ষা করে সকালে চলে গেল । পরদিন আবার মেয়েটির বাড়ির সামনে গেল । বাড়ির সামনে রাস্তার পাশে ছেলেটি তার সেই প্রিয় কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল । নির্মমভাবে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে । সেইদিন কাঁদতে কাঁদতে ছেলেটি চলে এলো । আর কোনদিন ওই বাড়ির সামনে যায় নি সে ।

...চালচুলোহীন ওই রাস্তার ছেলেটি পরে যা করেছিলো তা ইতিহাস । বলা যায় রাস্তার সেই ছেলেটি নিজ হাতে গত শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে । এমনকি পরবর্তীতে তার পোষা কুকুর blondi, এতটাই বিখ্যাত হয়েছিল যে তার wiki page এর সাইজ অনেক famous celebrity দের চেয়ে বড় ।

ছেলেটি মারা যাবার অনেক পরে মেয়েটি নাকি বলেছিল, সে ছেলেটিকে মনে মনে ভালবাসত । সাহস করে বলতে পারে নি ।

যাই হোক, ছেলেটি Hitler... নিশ্চয় নামটা শুনেই বুঝতে পারছেন এর পর আর কিছু বলার থাকে না । বাকি টুকু সবার জানা...

Wednesday, January 25, 2012

Lifestyle of Mahmoud Ahmadinejad, President of Iran

মাহমুদ আহমেদিনেজাদ। ইরানের প্রেসিডেন্ট। আধুনিক বিশ্বের সবচাইতে ক্ষমতাশীল প্রেসিডেন্টদের একজন। তার বাবা একজন সামান্য কামার। সৎ,সাহসী,পরিশ্রমী,দূরদর্শী নেতা হিসেবে সারা বিশ্বেই আহমেদিনেজাদ আজ সমাদৃত। পেশায় তিনি ছিলেন একজন পি এইচ ডি ধারী তুখোড় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। তেহরান ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স এন্ড টেকনোলজির অধ্যাপক, ছিলেন তেহরানের মেয়র। ১৯৭৯ সালে ইরানের যে হাজার হাজার ছাত্র আমেরিকান দূতাবাস আক্রমণ করে ৫৩ জন কূটনীতিক কে বন্দী করে আহমেদিনেজাদ ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। তার জীবনযাপন ও চলাফেরার মধ্যে আমরা খুঁজে পাই আল্লাহ ও তার রাসুলের নির্দেশিত পথের স্পষ্ট ছাপ। একটি উন্নত রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান হয়েও তিনি যে সৎ জীবন যাপন করেন সেটা থেকে আমাদের নেতাকর্মীরা অনেক কিছু শিখতে পারে। তার সেই বিচিত্র জীবনের কিছু চিত্র নিচে তুলে ধরার চেষ্টা করব.........।।


(১) জ্ঞান,বিজ্ঞান,শিক্ষা,প্রযুক্তি,শিল্প-সংস্কৃতি,গবেষণা,অর্থনীতি সব দিক থেকে ইরান আজ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর তালিকায় নিজের স্থান করে নিয়েছে। দেশের উন্নয়নে তার দূরদর্শী চিন্তাভাবনা ইরানকে আজ অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।

(২) অথচ আপনি ভাবলে অবাক হবেন ,এই ক্ষমতাশালী লোকটি একসময় তেহরানের মেয়র থাকাকালে নিজ হাতে রাস্তায় ঝাড়ু দিতেন।

(৩)আপনি ভাবলে অবাক হবেন, এই লোকটি আজো দুই রুমের একটা ছোট্ট বাড়িতে থাকেন।তার বাসায় দুই একটা কাঠের চেয়ার ছাড়া আরা কোন আসবাবপত্র নেই।

(৪) আপনি ভাবলে অবাক হবেন, এই লোকটি আজো ঘরের ফ্লোরে একটা পুরনো কার্পেটের উপর বালিশ বিছিয়ে তারপর ঘুমান। তার বাসায় কোন শোয়ার খাট নেই।

(৫)আপনি ভাবলে অবাক হবেন, এই লোকটি প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তার ছেলে মাহাদির বিয়েতে মাত্র ৪৫ জন অতিথিকে(২৫ জন নারী এবং ২০ জন পুরুষ)নিমন্ত্রন করেন। তাকে যখন NBC নিউজ চ্যানেলের সাংবাদিক এর কারন জিজ্ঞাসা করেন তখন তিনি অত্যন্ত হাসিমুখে বিনয়ের সাথে বলেন, এর চাইতে বেশি মানুষকে দাওয়াত দেওয়ার সামর্থ্য আমার নেই। ভাবুন, পৃথিবীর একটা উন্নত দেশের প্রেসিডেন্ট বলছে এই কথা। তাও সেই বিয়েতে কোন ভোজের ব্যাবস্থা ছিলনা। প্রত্যেক অতিথি কে একটি কমলা,একটি কলা,একটি আপেল আর ছোট্ট এক টুকরো কেক দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়েছিল।

(৬) আপনি ভাবলে অবাক হবেন, এই লোকটি সবার আগে সকাল ৭ টায় অফিসে যান।

(৭) আপনি ভাবলে অবাক হবেন, এই লোকটি আজো সকালে বেরিয়ে যাওয়ার সময় নিজের স্ত্রীর হাতের বানানো সকালের ব্রেকফাস্ট এবং দুপুরের খাবার একটা ছোট্ট কালো ব্যাগে করে সাথে নিয়ে যান। অফিসের কার্পেটের ফ্লোরে বসে তৃপ্তির সাথে সবার সামনে তিনি তার খাবার খান।

(৮) দিনের একটা উল্লেখযোগ্য সময় তিনি বাসার দারোয়ান, পথচারী ও সাধারন মানুষের সাথে কথা বলে তাদের সুখ দুঃখ শেয়ার করেন।

(৯)তিনি যখনি কোন মন্ত্রীকে তার অফিসে ডাকেন তাকে একটা মন্ত্রণালয় চালানোর একটা দিকনির্দেশনা দিয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি তাদের বলে দেন,রাস্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের ব্যাক্তিগত হিসাব নিকাশ ও তাদের নিকট আত্নীয় স্বজনের কার্যকলাপ কঠিনভাবে মনিটর করা হচ্ছে।

(১০)ভাবতে অবাক লাগে তার ব্যাক্তিগত সম্পত্তি বলতে তেহরানের বস্তিতে অবস্থিত ছোট্ট একটি বাড়ি,যা ৪০ বছর আগে তিনি তার বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন। বাড়িটির নাম Peugeot 504. আপনি শুনলে অবাক হবেন তার ব্যাংক একাউন্টে বেতনের জমানো কিছু টাকা ছাড়া আর কিছু নেই। তেহরান ইউনিভার্সিটি তে তার বেতন মাত্র ২৫০ ইউ এস ডলার।

(11) আপনি শুনলে অবাক হবেন, তিনি রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য রাষ্ট্র থেকে কোন টাকা নেন না। তিনি ইউনিভার্সিটি থেকে প্রাপ্ত বেতনের টাকা দিয়ে চলেন।BBC সাংবাদিক তাকে এই নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “সব সম্পত্তি হল রাষ্ট্রের আর তার কাজ হল সেগুলো পাহারা দেওয়া”।

(১২)আপনি শুনলে অবাক হবেন, এই লোকটি এত বেশি পরিশ্রম করেন যে,তিনি সারাদিন ৩ ঘণ্টার বেশি ঘুমানোর সময় পান না। তিনি প্রতিদিন সকাল ৫ টায় ফযরের নামায পড়ে কাজ শুরু করেন আর রাত ২ টায় ব্যাক্তিগত স্টাডি ও এশার নামায পড়ে ঘুমাতে যান।

(১৩)আপনি শুনলে অবাক হবেন, এই লোকটি কখনও নামায বাদ দেন না। নামাযের সময় হলে রাস্তায় ছোট্ট কাপড় বিছিয়ে নামায আদায় করেন। রাষ্ট্রীয় সব বড় বড় নামাযের জামাতে তিনি সব সময় পিছনের সারিতে সাধারন মানুষের সাথে বসতে ভালবাসেন।

Tuesday, October 25, 2011

Story of a Soldier of Vietnam

একজন সৈনিক Vietnam এ যুদ্ধ করার পর বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি San Francisco থেকে তার বাড়িতে ফোন করলেন এবং বললেন, "বাবা! আমি বাড়ি আসছি.তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করার ছিল... আমি আমার সাথে আমার বন্ধুকেও আনছি।"
তার বাবা বললেন, "অবশ্যই! আমরাও তোমার বন্ধুর সাথে দেখা করতে চাই।"

এরপর সৈনিক তার বাবা-মা কে আরও বললেন, "কিন্তু তোমাদের আরও কিছু জানা উচিত.যুদ্ধের সময় সে মারাত্মকভাবে আহত হয় এবং সে তার এক হাত এবং এক পা হারায়। তার এখন যাওয়ার কোন জায়গা নাই। তাকে আমাদের বাসাতেই আসতে হবে।

তখন তার বাবা বললেন, "ওহ! আসলেই অনেক খারাপ সংবাদ। আমরা তাকে অন্য কোথাও থাকার জায়গা পেতে সাহায্য করতে পারি।"

সৈনিক বলল, "না বাবা, আমি চাই সে আমাদের সাথেই থাকুক"

বাবা বলল, "তুমি নিজেই জান না যে তুমি কি বলছ। তার মত একজন আহত মানুষ একজন বোঝা ছাড়া কিছুই না। আমাদের নিজেদের নিয়ে ভাবা উচিত। তুমি তার চিন্তা বাদ দাও। তাড়াতাড়ি বাড়ি চলে আস। সে তার নিজের ব্যবস্থা করে নিবে।"

এসব শুনে ছেলেটি ফোন রেখে দিল.তার বাবা আর কোন কিছু শুনতে পেল না।

কিছুদিন পর সৈনিকটির বাবা-মা কে San Francisco এর পুলিশ ফোন করলেন এবং জানালেন তাদের ছেলে একটি বিল্ডিং এর ছাদ থেকে লাফ দিয়ে মারা গেছে। পুলিশ এটাকে Suicide মনে করেছে। পুলিশ লাশ কে Identify করার জন্য বাবা-মা কে San Francisco যেতে বললেন।

বাবা-মা San Francisco পৌঁছে ছেলের লাশ দেখলেন। সবই ঠিক আছে কিন্তু একটা ব্যাপার যেটা তারা আগে জানতোনা.সেটি হল - তাদের ছেলের একটি হাত এবং একটি পা নেই.

Libya & Muammar Gaddafi - SOME FACTS THAT CANT BE DENIED

  1. Libya's $300 Billion Gold reserves.
  2. Libya sits on Africa's largest oil and natural gas reserves.
  3. Libya's Blue gold - Libya's priceless water basins.
  4. There is no electricity bill in Libya; electricity is free for all its citizens.
  5. There is no interest on loans, banks in Libya are state-owned and loans given to all its citizens at 0% interest by law.
  6. Home considered a human right in Libya – Gaddafi vowed that his parents would not get a house until everyone in Libya had a home. Gaddafi’s father has died while him, his wife and his mother are still living in a tent.
  7. All newlyweds in Libya receive $60,000 Dinar (US$ 50,000 ) by the government to buy their first apartment so to help start up the family.
  8. Education and medical treatments are free in Libya. Before Gaddafi only 25% of Libyans are literate. Today the figure is 83%.
  9. 25% of Libyans have a university degree.
  10. If Libyans cannot find the education or medical facilities they need in Libya, the government funds them to go abroad for it – not only free but they get US $2, 300/mth accommodation and car allowance.
  11. If a Libyan is unable to get employment after graduation the state would pay the average salary of the profession as if he or she is employed until employment is found.
  12. Should Libyans want to take up farming career, they would receive farming land, a farming house, equipments, seeds and livestock to kick- start their farms – all for free.
  13. In Libyan, if a Libyan buys a car, the government subsidized 50% of the price.
  14. The price of petrol in Libya is $0. 14 per liter.
  15. Libya has no external debt and its reserves amount to $150 billion – now frozen globally.
  16. A portion of Libyan oil sale is, credited directly to the bank accounts of all Libyan citizens.
  17. A mother who gave birth to a child receive US $5 ,000
  18. 40 loaves of bread in Libya costs $ 0.15
  19. Gaddafi carried out the world’s largest irrigation project, known as the Great Man-Made River project, to make water readily available throughout the desert country.
  20. Gaddafi wouldn't bow down to the Rothschild central reserve banking cartel.
  21. Gadaffi Proposed $400 million African Satellite - gadaffi alone came up with $300 million for this project. For those who ask, whats the big deal in it, it's really a huge set back for European western countries, because they get paid by Africa every year $500 million in rent for the services European satellite provides to Africa. Africa being self sufficient is definitely a set back for western economy.
  22. AMF: African Monetary Fund - No more borrowing from Rothschild Central Bank for African countries, AMF was planned to produce its own currency for Africa, backed by Gold standard. Interest free.
  23. Gadaffi planned to free the entire African continent from the clutches of Western imperialism.
In Libya there are four major underground basins, these being the Kufra basin, the Sirt basin, the Morzuk basin and the Hamada basin, the first three of which contain combined reserves of 35,000 cubic kilometres of water. These vast reserves offer almost unlimited amounts of water for the Libyan people.

In the 1960s during oil exploration deep in the southern Libyan desert, vast reservoirs of high quality water were discovered in the form of aquifers.Thus Gadaffi, started the construction for the Phase I of the $25 Billion "Great Man made River Project" in 1984.

The Great Man-Made River (GMR) is a network of pipes that supplies water from the Sahara Desert in Libya, from the Nubian Sandstone Aquifer System fossil aquifer. It is the world's largest irrigation project As of now, almost all three phases has been finished by the Libyan administration .

It carries more than five million cubic metres of water per day across the desert to coastal areas, vastly increasing the amount of arable land. The cost of one cubic meter of water equals 35 cents. The cubic meter of desalinized water is $3.75. Scientists estimate the amount of water to be equivalent to the flow of 200 years of water in the Nile River.

Here is the $70 trillion Blue Gold in Libya, that caught the most attention and Love of Bankers.

Thursday, October 13, 2011

Junko Furuta - The girl who went through 44 days of torture

During visiting websites, I read following story which was shocking. I posting it in my blog so that people can learn from it.

This is one of the most notorious and worst cases of torture murder ever recorded in history. It is also one of the most horrifying and heartbreaking.

“A sixteen year-old high-school girl was abducted by four teen-aged hooligans while she was on her way to work. They took her to the house of a friend, held her in his bedroom, and for the next forty-five days enacted every imaginable form of abuse on her (and some you wouldn’t want to imagine). They gang-raped her—both with their own bodies and with an assortment of foreign objects—beat her, kicked her, doused her extremities with lighter fluid and set her on fire, and probably did many other things to her that went undocumented by either her tormentors or the police. They mocked her pain. They held her down and dropped barbells on her stomach. This last bit of torture was more than she could withstand, and after going into convulsions she apparently either strangled on her own vomit or simply died from her beatings. When the boys were questioned later about why they didn’t do anything during her seizure, they replied, “We assumed she was faking it.”

“She tried to escape, more than once. The first time, she was caught in the process of making a phone call. The second time, she ran into the parents of the boy who lived there; apparently they had known all along what was gong on. She begged them to help her, but they refused; his friend had criminal connections, and they didn’t want to get into trouble, too. After her death, they taped her arms and legs together, threw her into a 55-gallon drum, filled it with cement, and dumped it in an empty lot. The body wasn’t recovered until almost a year later. The ringleader of the whole incident served eight years in prison and is now a free man.”
These horrifying things done to Junko Furuta had been collected through the Japanese court trial of the case, and blogs from 1989. They show the pain that Junko Furuta had to endure before she was finally dead. All this had happened to her while she was still alive. They are disturbing, but the truth.

All of this had happened.

DAY 1: November 22, 1988
  • Kidnapped
  • Kept captive in house, and posed as one of boy’s girlfriend
  • Raped (over 400 times in total)
  • Forced to call her parents and tell them she had run away
  • Starved and malnutritioned
  • Fed cockroaches to eat and urine to drink
  • Forced to masturbate
  • Forced to strip in front of others
  • Burned with cigarette lighters
  • Foreign objects inserted into her vagina/anus
DAY 11: December 1, 1988
  • Severely beat up countless times
  • Face held against concrete ground and jumped on
  • Hands tied to ceiling and body used as a punching bag
  • Nose filled with so much blood that she can only breath through her mouth
  • Dumbbells dropped onto her stomach
  • Vomited when tried to drink water (her stomach couldn’t accept it)
  • Tried to escape and punished by cigarette burning on arms
  • Flammable liquid poured on her feet and legs, then lit on fire
  • Bottle inserted into her anus, causing injury
DAY 20: December 10, 1989
  • Unable to walk properly due to severe leg burns
  • Beat with bamboo sticks
  • Fireworks inserted into anus and lit
  • Hands smashed by weights and fingernails cracked
  • Beaten with golf club
  • Cigarettes inserted into vagina
  • Beaten with iron rods repeatedly
  • Winter; forced outside to sleep in balcony
  • Skewers of grilled chicken inserted into her vagina and anus, causing bleeding
DAY 30:
  • Hot wax dripped onto face
  • Eyelids burned by cigarette lighter
  • Stabbed with sewing needles in chest area
  • Left nipple cut and destroyed with pliers
  • Hot light bulb inserted into her vagina
  • Heavy bleeding from vagina due to scissors insertion
  • Unable to urinate properly
  • Injuries were so severe that it took over an hour for her to crawl downstairs and use the bathroom
  • Eardrums severely damaged
  • Extreme reduced brain size
DAY 40: January 1, 1989
  • Begged her torturers to “kill her and get it over with”
  • January 1, 1989: Junko greets the New Years Day alone
  • Body mutilated
  • Unable to move from the ground
DAY 44: January 4, 1989
  • The four boys beat her mutilated body with an iron barbell, using a loss at the game of Mah-jongg as a pretext. She is profusely bleeding from her mouth and nose. They put a candle’s flame to her face and eyes.
  • Then, lighter fluid was poured onto her legs, arms, face and stomach, and then lit on fire. This final torture lasted for a time of two hours.
Junko Furuta died later that day, in pain and alone. Nothing could compare 44 days of suffering she had to go through.

When her mother heard the news and details of what had happened to her daughter, she fainted. She had to undergo a psychiatric outpatient treatment . Imagine her endless pain.

Her killers are now free men. Justice was never served, not even after 20 years.
They deserve a punishment much greater than they had put upon Furuta, for putting an innocent girl through the most unbearable suffering.

The boys only served about eight years in prison for the crime, pleading down to 'committing bodily injury that resulted in death' instead of murder. One of them was arrested again in July, 2004 after assaulting a friend he believed was luring a girlfriend away from him and even BRAGGING about his infamy resulting from his case.

At least one of them was apparently a low-level Yakuza member during this time, claiming he could have people killed for interfering.
This story from 1989 is true. Please spread her story around. Everyone should know about the existence of Junko Furuta’s unimaginable and incomprehensible suffering. Never let her story be forgotten. If this story changes the life of at least one person then it has been worth it.

Rest In Eternal Peace, Junko Furuta, 1989-Eternity.


Related Post:
http://en.wikipedia.org/wiki/Junko_Furuta
http://thienthanhom90.wordpress.com/2010/02/23/in-memory-of-junko-furuta-the-girl-who-went-through-44-days-of-torture/

[Source: Internet]

Wednesday, September 28, 2011

True story of Mother’s Sacrifice

This is a true story of Mother’s Sacrifice during the Japan Earthquake.

After the Earthquake had subsided, when the rescuers reached the ruins of a young woman’s house, they saw her dead body through the cracks. But her pose was somehow strange that she knelt on her knees like a person was worshiping; her body was leaning forward, and her two hands were supporting by an object. The collapsed house had crashed her back and her head.

With so many difficulties, the leader of the rescuer team put his hand through a narrow gap on the wall to reach the woman’s body. He was hoping that this woman could be still alive. However, the cold and stiff body told him that she had passed away for sure.


He and the rest of the team left this house and were going to search the next collapsed building. For some reasons, the team leader was driven by a compelling force to go back to the ruin house of the dead woman. Again, he knelt down and used his had through the narrow cracks to search the little space under the dead body. Suddenly, he screamed with excitement,” A child! There is a child! “

The whole team worked together; carefully they removed the piles of ruined objects around the dead woman. There was a 3 months old little boy wrapped in a flowery blanket under his mother’s dead body. Obviously, the woman had made an ultimate sacrifice for saving her son. When her house was falling, she used her body to make a cover to protect her son. The little boy was still sleeping peacefully when the team leader picked him up.

The medical doctor came quickly to exam the little boy. After he opened the blanket, he saw a cell phone inside the blanket. There was a text message on the screen. It said,” If you can survive, you must remember that I love you.” This cell phone was passing around from one hand to another. Every body that read the message wept. ” If you can survive, you must remember that I love you.” Such is the mother’s love for her child!!

Source: Facebook