Notice

YouTube.com/BESTTravelers - Visit and SUBSCRIBE to our travel related YouTube Channel named "BEST Travelers"
Showing posts with label Tours & Travels. Show all posts
Showing posts with label Tours & Travels. Show all posts

Friday, August 16, 2019

Belgrade City Tour by Bus | Serbia | Balkans | Europe

I took this video while I was going back to Belgrade from Novi Sad, Serbia.



✔️ Care to subscribe? http://bit.ly/2GiKhui
✔️ Please LIKE, COMMENT and SHARE to encourage us.

#BESTTravelers #Serbia #Belgrade

WATCH MORE VIDEOS
FOLLOW US
CREATOR’S INFORMATION
Hello! This is "Md A Rahman" from Dhaka, Bangladesh. I will share travel-related videos with you. More details: https://asfak-ur-rahman.blogspot.com

All rights reserved by asfak-ur-rahman.blogspot.com
Copyright © BEST Travelers

Monday, November 25, 2013

Hiking Tips

10 Hiking Essentials
  1. Water
  2. Food 
  3. Rain Gear and Extra Clothing
  4. Map
  5. Compass
  6. Light
  7. First Aid Kit
  8. Knife or Multi-tool
  9. Common Sense - Pay attention to your environment, your energy, and the condition of your companions. 
  • Has the weather turned rainy? 
  • Is daylight fading?
  • Did you drink all your water?
  • Did your companion fail to bring rain gear?
  • Are you getting tired? 
  • Keep in mind that until you turn around you are (typically) only half-way to completing your hike - You must still get back to where you started from! (Exceptions are loop hikes) 
  • Check the weather forecast before you head out.
  • Know the rules and regulations of the area.
Common Mistakes Made on the Trails
  1. Plan ahead - the difference between a great hike or a trip to the hospital is up to you!
  2. Be kind to yourself - know your abilities; choose an appropriate hike.
  3. Be a lightweight - the less you carry, the more enjoyable the hike.
  4. Avoid huffing and puffing - if you can talk while you are walking, you are walking the perfect speed.
  5. Take a break - take a ten minute break at least once every hour.
  6. No food, no fuel, no fun - drink frequently and eat often.
  7. Watch your time - coming back up is hard!
  8. Mules and hikers - mules have the right of way.
7 Common Hiking Mistakes to Avoid
  1. They choose the wrong path.
  2. They underpack or overstuff
  3. They think hiking poles are for sissies
  4. They can't read a map
  5. They try to run up exposed rocks (Take smaller steps on rocky patches)
  6. They get distracted by the views
  7. They race down hills

Tuesday, August 13, 2013

How to plan a foreign trip?

Here is quick way to plan a foreign trip. 

Planning
  1. Find out top destinations of the country using Google search.
  2. Select your favorite cities from top destinations.
  3. Find out tourist and transportation map for each of your selected city.
  4. Tourist map will indicate place of interest. So mark the places where you want to go. (Googling can help you to find out top place of interest of the city. Then you can mark also.)
  5. Transportation map will help to plan daily travel.
Documentation
  1. Make a day-wise plan. (Print and take plan with you)
  2. Make a budget plan for each city and take double money from budget. (Print and take plan with you)
  3. Make a list of hotel's for each city depend on your budget. Select your hotel where most of the place of interest is nearer or transportation is better. (Print and take plan with you)
  4. Print out all tourist and transportation map.Make sure tourist map has important places marked. (Print and take plan with you)
  5. Make a checklist for the things which you need to take with you. Otherwise you may forget something during going to Airport.

Monday, May 27, 2013

List of My Local and International Tours

Bangladesh


  1. Bandarban [Jan 2006 (Keo-Kra-Dong), Dec 2009 (Boga Lake), Dec 2011(PrangsaPara)]
  2. Bhola (ChorKukriMukri) [Dec 2012]
  3. Bogura [May 2006]
  4. Chapai Nawabganj [Aug 2006]
  5. Chittagong [Feb 2006, Dec 2012, Apr 2013]
  6. Comilla [May 2005, Sep 2007]
  7. Cox's Bazar [Dec 2005, Dec 2017,Aug 2012, Jul 2013]
  8. Dhaka [I live here]
  9. Dinajpur [May 2006]
  10. Gazipur
  11. Jessore 
  12. Joypurhat [Aug 2006]
  13. Khagrachhari
  14. Kuakata [Jan 2011] 
  15. Lakshmipur 
  16. Maulvibazar [Mar 2006]
  17. Munshigang [Dec 2013 (Mawa ferry ghat)]
  18. Manikganj [Jun 2013]
  19. Mymensingh [July 2011]
  20. Narayanganj [May 2012 (Sonargoan)]
  21. Narsingdi [Jun 1999]
  22. Naogaon [Aug 2006]
  23. Rangamati [Dec 2008]
  24. Rangpur [Aug 2008]
  25. Rajshahi [Aug 2006, Dec 2012]
  26. Saint Martin [Dec 2007]
  27. Srimangal [Jun 2010, Mar 2012] 
  28. Sunamgang [July 2013 (Tanguar Haor)]
  29. Sylhet [Mar 2012]
  30. Tangail [Sep 2011]

Malaysia


  1. Kuala Lumpur [Aug 2013]
  2. Langkawi [Aug 2013]
  3. Malacca‎ [Aug 2013]
  4. Pahang (Genting Highland)  [Aug 2013]
  5. Penang [Aug 2013]
  6. Putrajaya [Aug 2013]

Thailand


  1. Ayutthaya  [Feb 2012]
  2. Bangkok   [Feb 2012, Jul 2012]
  3. Chunburi   [Feb 2012]
  4. Hua Hin   [Jul 2012]
  5. Koh-Samui  [Jul 2012]
  6. Krabi [Jul 2012]
  7. Phetchaburi [Jul 2012]
  8. Phuket   [Feb 2012]
I am planning to visit following places,

Saturday, March 2, 2013

বিনা ভিসাতে বিদেশ ভ্রমন

বিশ্বের এমন কিছু দেশ আছে যেখানে যেতে ভিসার প্রয়োজন নেই, শুধু বাংলাদেশের পাসপোর্ট থাকলেই হবে। আর এমন কিছু দেশ আছে যেখানে ল্যান্ড করার পরে এয়ারপোর্ট থেকে (on arrival) ভিসা পাওয়া যায়, তবে কোন কোন দেশের ক্ষেত্রে অবশ্য ফি দিতে হয়।

ভিসা ছাড়া যাওয়া যাবে এবং অবস্থান করা যাবে এমন দেশগুলো হচ্ছে 
এশিয়া মাহাদেশের মধ্যে
  • ভুটান (যত দিন ইচ্ছা)
  • শ্রীলংকা (৩০ দিন)
  • দ: কোরিয়া (৯০ দিন)
আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে
  • কেনিয়া (৩ মাস)
  • মালাউই (৯০ দিন)
  • সেশেল (১ মাস)
আমেরিকা মাহাদেশের মধ্যে
  • ডোমিনিকা (২১ দিন)
  • হাইতি (৩ মাস)
  • গ্রানাডা (৩ মাস)
  • সেন্ট কিট্‌স এ্যান্ড নেভিস (৩ মাস)
  • সেন্ড ভিনসেন্ট ও গ্রানাডাউন দ্বীপপুঞ্জ (১ মাস)
  • টার্কস ও কেইকোস দ্বীপপুঞ্জ (৩০ দিন)
  • মন্টসের্রাট (৩ মাস)
  • ব্রিটিশ ভার্জিন দ্বীপমালা (৩০ দিন)
ওশেনিয়া মাহাদেশের মধ্যে
  • ফিজি (৬ মাস)
  • কুক দ্বীপপুঞ্জ (৩১ দিন)
  • নাউরু (৩০ দিন)
  • পালাউ (৩০ দিন)
  • সামোয়া (৬০ দিন)
  • টুভালু (১ মাস)
  • নুউ (৩০ দিন)
  • ভানুয়াটু (৩০ দিন)
  • মাক্রোনেশিয়া তিলপারাষ্ট্র (৩০ দিন) 
এছাড়াও যেসব দেশে প্রবেশের সময় (on arrival) ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হচ্ছে
এশিয়ার মধ্যে
  • আজারবাইজান (৩০ দিন, ফি ১০০ ডলার)
  • জর্জিয়া (৩ মাস)
  • লাউস (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
  • মালদ্বীপ(৩০ দিন)
  • মাকাউ (৩০ দিন)
  • নেপাল (৬০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
  • সিরিয়া (১৫ দিন)
  • পূর্ব তিমুর (৩০ দিন, ফি ৩০ ডলার)
আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে
  • বুরুন্ডি, কেপ ভার্দ, কোমোরোস, জিবুতি (১ মাস, ফি ৫০০ জিবুতিয়ান ফ্রাঙ্ক), 
  • মাদাগাস্কার (৯০ দিন, ফ্রি ১,৪০,০০০ এমজিএ)
  • মোজাম্বিক (৩০ দিন, ফি ২৫ ডলার)
  • টোগো (৭ দিন, ফি ৩৫,০০০ এক্সডিএফ)
  • উগান্ডা (৩ মাস, ফি ৩০ ডলার)। 
ফ্লাইট, টিকিট, হোটেল ইত্যাদি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যাবে
তবে বাংলাদেশের এয়ারপোর্ট রওনা হবার সময় কিছু সুযোগ সন্ধানী অফিসার ভিসা নেই বা আপনার সমস্যা হবে এই মর্মে হয়রানি করতে পারে টু-পাই কামানোর জন্য। কেউ এসব দেশে বেড়াতে যেতে চাইলে টিকিট কেনার সময় আরো তথ্য জেনে নিতে পারেন। এ বিষয়ে কারও কোন সন্দেহ থাকলে google এ search দিয়েও যাচাই করে নিতে পারেন। তবে তা ইংরেজিতে আসবে। 

Thursday, November 3, 2011

কক্সবাজারে ভয়াল গুপ্তখাল - নিজে বাচুন অন্যকে সতর্ক করুন

Today I have found following article during visiting Facebook. I think, this is important to know everyone.

জন্ম হলে মৃত্যু হবেই। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যু বোধকরি কারোই কাম্য নয়। এবার কক্সবাজার গিয়ে গুপ্তখালের কবলে পরে মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখলাম। সেই কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লেখবার চেষ্টা করছি যা সকলের জানা উচিত।
কক্সবাজারে এই নিয়ে চতুর্থবার ভ্রমন হোল। সাম্প্রতি বিয়ের পরে এপ্রিল মাসে একবার গিয়েছিলাম। গত মাসে সস্ত্রীক দুই কাছের বন্ধু জয় এবং সাজ্জাদ সহ বান্দারবনে গেলাম। সেখানে একদিন থাকার পরে নীলগিরী যাবার প্ল্যান ছিল। কিন্তু ভারতীয় বিএসএফ প্রধান সেই দিনই সেখানে যাওয়ায় নীলগিরী যাবার সব পথ ছিল বন্ধ। তাই তড়িত সিদ্ধান্তে কক্সবাজার চলে এলাম। সেই দিন সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় আর পানিতে নামা হোল না। পরের দিন আবার বান্দারবনে যাব বলে সকাল ৬ টার দিকে ২ নাম্বার সুগন্ধা পয়েন্টে নামলাম। মোট ৪ জনের গ্রুপ যার মাঝে আমি একাই কেবল সাতার জানি না। সব কিছু ভালই চলছিল। প্রায় ১ ঘন্টা পানিতে দাপাদাপির পর এল সেই বিশেষ মুহুর্ত। বন্ধু জয় হঠাত আবিষ্কার করল একটু আগে যেখানে কোমর পানি ছিল তার ঠিক ডান দিকে যেতেই পুরো মাথা তলিয়ে যাচ্ছে। ভোলায় বড় হওয়া জয় বিষয়টি বুঝতে পারে নাই সাতরে সে জায়গাটি পার হয়ে যায় সাথে তার পিছু পিছু আরেক বন্ধু সাজ্জাদ ও পার হয়ে যায়। আমিও ওদের কাছেই ছিলাম। একটু পর আমার স্ত্রীর চিতকার শুনতে পারলাম যে-“আদনান আমাকে ধর আমি দাড়াতে পারছি না।“ আমি ভাবলাম কোমর পানিতে কি আর হবে নিশ্চয়ই ব্যালেন্স করতে পারছে না। ওর কাছে এসে টেনে তুলে এক পা সামনে আগাতেই অবাক হয়ে খেয়াল করলাম ক্রমশ আমার পায়ের নিচে থেকে বালু সরেই যাচ্ছে। ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যেই যেখানে আমার হাটু বরাবর পানির লেভেল ছিল তা আমার মাথার উপরে উঠে গেল। অন্যদিকে আমার স্ত্রীর পরনে ছিল ফতুয়া, পায়জামা আর ওড়না। সে সাতার জানে কিন্তু সেই মুহুর্তে তার পায়জামা আর ওরনা শরীরের সাথে জড়িয়ে গেল। অন্যদিকে আমার উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি সেখানে পানির লেভেল আরো প্রায় ৬-১০ ইঞ্চি উপরে চলে যাওয়ায় আমি কোনমতেই শ্বাস নিতে পারছিলাম না। বেশ কয়েকবার পানিতে ডুবছিলাম আর ভাসছিলাম কারন আমি বিন্দুমাত্র সাতার জানি না। আমার বন্ধুদ্বয় সেই জায়গাটা পার হবার সাথে সাথেই বুঝতে পেরেছিল আমরা এদিকে আসলে বিপদে পরতে পারব তাই জায়গাটা সাতরে পার হয়ে আমাদের সতর্ক করার জন্য মুখ ঘুড়িয়েই দেখে আমি পানিতে ডুবছি আর ভাসছি। এরই মধ্যে প্রথমবার ডুব খাবার সাথে সাথেই জীবনের ভয়ংকরতম ভয় পেলাম। আমার মনে হচ্ছিল মৃত্যু অবধারিত। সাথে সাথে আবিদের মৃত্যুর কথা মনে পড়ায় আরো বেশী প্যানিক হয়ে গেলাম। আমি এই পানি খাওয়া আর বার বার ডুবে যাওয়ার মধ্যেই প্রায় ৩-৪ বার আমার বন্ধুর নাম ধরে জোরে জোরে ডাকলাম আর তীরের দিকে হাত উঠিয়ে সাহায্যের আশায় হাত নাড়ছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমার চিতকার বুঝি কেউ শুনছে না আর এতো সকালবেলাকেউ হয়তো আমাদের খেয়ালো করছে না। আর আমার স্ত্রী কাপরে জট লাগিয়ে সাতার পারা সত্বেও ক্রমাগত পানি খাচ্ছিল। আমাদের এই অবস্থা দেখে ভাল সাতার পারা বন্ধু জয় দ্রুত আমার স্ত্রীর কাছে আসতে থাকে আর আরেক বন্ধু সাজ্জাদ তীরের লাইফ গার্ডদের দৃষ্টি আকর্ষন করে দ্রুত আমাদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করতে থাকে। আমাদের বেহাল অবস্থা বুঝতে পেরে একজন ফটোগ্রাফার দ্রুত তীরে তার ক্যামেরা রেখে পানিতে ঝাপিয়ে পরে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে, কর্তব্যরত লাইফ গার্ডদের একজন সার্ফিং বোর্ড নিয়েও দ্রুত নেমে যায় আর একটি কিশোর ছেলে আমাকে উদ্ধার করে। আল্লাহর রহমতে খুব দ্রুত পায়ের নিচে মাটি খুজে পাওয়ায় ক্রমাগত পানি খাওয়া থেকে দুইজনই রক্ষা পাই।

উদ্ধার পাবার পর লাইফ গার্ডের প্রথম প্রশ্ন ছিল এইদিকে গেলেন কেন? জানেন না এদিকে গুপ্তখাল আছে? পেপার পত্রিকায় এতোদিন সাগরের নিরব ঘাতক এইসব গুপ্তখালের কবলে পরে পর্যটকের মৃত্যুর খবর জেনেছি সেই দিন নিজে এর শিকার হয়ে এর ভয়াবহতাটুকু মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করলাম। এ এমন এক অভিজ্ঞতা যা থেকে সবাইকে সতর্ক না করলেই নয়।

পত্রিকা আর সিগাল হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার মারফত জানলাম প্রচন্ড প্রতিভামান কন্ঠশিল্পি আবিদের মৃত্যুর পর এবার কক্সবাজারে পর্যটকের আসা কমে গিয়েছে। ঈদের আগে ও পরের ১০ দিনে যেখানে ১০ লাখের উপরে পর্যটকের আগমন ঘটে সেখানে এবার নাকি ঈদের ৩-৪ দিনে পঞ্চাশ হাজারের মতো পর্যটক এসেছেন। আবিদের মৃত্যুর পর ভেবেছিলাম কক্সবাজারের সার্বিক ভয়াবহতার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ প্রচুর ব্যাবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু আমার ভাবনায় ভুল ছিল-এ যে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ যেখানে অনিয়মই নিয়ম, প্ল্যানিং এর বড়ই অভাব।

পর্যটকদের নিরাপত্তা দেবার জন্য সরকার ইয়াসির লাইফ গার্ড এবং ওয়াচ বে লাইফ গার্ড নামক দুটি সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে। এরা প্রতিবছর শত শত মানুষকে উদ্ধার করছে। কিন্তু টোটাল সিস্টেমে অনেক গলদ আছে যার কয়েকটা বলছিঃ
  1. লক্ষ্য করুন আমরা পানিতে নামতে যাই সকাল ৬টার দিকে। এর আগের দিন খবর নিয়ে জেনেছিলাম সকাল হোল জোয়ারের সময় যা সমুদ্রে গোছলের জন্য নিরাপদ। সৈকতে গিয়ে দেখি এক দুইটি মাত্র সবুজ আর কিছু লাল পতাকা। আগের দিন প্রচুর পতাকা ছিল যার কিছুই সকালে চোখে পরে নাই। সেই ঘটনার পরে জানতে পারলাম লাইফ গার্ডরা সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় ধীরে ধীরে তারা পতাকা লাগাতে থাকেন। তাহলে ভোরে সূর্যদয় দেখতে যারা আসবেন তারা যদি সাগরে নামতে চান তবে তাদের জন্য পতাকা কই? আর ২৪ ঘন্টার জন্য লাইফ গার্ডের ব্যাবস্থা করতে সমস্যা কোথায়?
  2. গত এক বছরের মধ্যে কলাতলী থেকে ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট পর্যন্ত উত্তর দক্ষিনে ১০ টির মতো কয়েক শ ফুট লম্বা ৬টি গুপ্তখাল আর আড়াআড়িভাবে কয়েকটি পুকুর আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই গর্ত আর খালগুলোর অস্তিত্ব ভাটার সময়ে খুব সহজেই চোখে পরে কারন পানির লেভেল সেই সময় অনেক নিচে থাকে। সরকার কি পারে না মাত্র কয়েক লাখ টাকা খরচ করে এই বিশেষ স্থানগুলোকে বাশ বা জাল বা অন্য কোন ভাবে পুরোপুরি ঘিরে দিতে? তা না করে তীরের সোজা তারা ২টি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নত করার ব্যাবস্থা রেখেছে যা মোটেও যৌক্তিক নয়। কারন গোছলের সময় ঢেউয়ের তোরে অনেকেই ক্রমশ ডানে/বামে চলে যেতে থাকে। আমরা যেমন সুগন্ধা বীচ বরাবর সেফ জায়গায় নেমেছিলাম কিন্তু ঢেউয়ের সাথে সাথে কখন যে অনেকখানি ডানে চলে গিয়েছিলাম খেয়াল ছিল না। পরে উদ্ধার হয়ে ফেরত আসার সময় বিষয়টা চোখে পরে। তাই স্থায়ীভাবে জায়গাগুলো চিহ্নিত না করা গেলে যে কারো বিপদে পরা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
  3. সেই দিন বিপদ থেকে বাচার পর হোটেল সাইমনে নাস্তা করতে যাবার পর ফ্রন্ট ডেস্কে একটা লিফলেট দেখলাম যা কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সৈকতে কিভাবে নিরাপদে গোসল করা যায়, বিভিন্ন রঙের পতাকার অর্থ কি,বিপদে পরলে কি করতে হবে-এসব বিষয়ে চমৎকার কিছু পরামর্শ ছিল। লিফলেটটি হাতে পাবার সাথে সাথে আমাদের চারজনের উপলদ্ধি ছিল এটি আগে হাতে পেলাম না কেন? কক্সবাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন। তারা সবাই কোন না কোন হোটেলে উঠেন। প্রতিটি হোটেল আর গেষ্ট হাউসে যদি সেই লিফলেটটি দেওয়া হয় আর প্রতিটি নতুন গেষ্টের হাতে ধরিয়ে দিয়ে একবার করে হলেও পড়বার অনুরোধ করা হয় তাহলে অনেকগুলো প্রান নিঃসন্ধেহে রক্ষা পেত।
  4. সৈকতের জনপ্রিয় ৩টি পয়েন্ট হোল যথাক্রমে লাবনী, সুগন্ধা আর কলাতলী। এই পয়েন্টগুলোর প্রতিটি মোরেই যদি মাইকিং করে আর লিফলেট বিতরন করে পর্যটকদের সতর্ক করা যেত তবে অনেকেই পতাকার গুরুত্ব বুঝতে পেতেন। ফলে দুই লাল পতাকা বরাবর স্থানে পানির নিচে যে চোরাবালি/গুপ্তখাল আছে তা তারা জানতে পারতেন। আমাদের মতো অনেকেই দুই লাল পতাকার মানে জানেন না কারন শুধুমাত্র প্রচারনার অভাব।
  5. হঠাত করে কেউ কক্সবাজার গেলে অবাক হয়ে যাবেন সাড়ি সাড়ি নতুন নতুন হোটেল হচ্ছে। এসব হোটেল বানাতে প্রয়োজন পরছে বালুর। রাতের অন্ধকারে/দিনে দুপুরে সাগর থেকে বালু সরানো হচ্ছে যার ফলে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন গর্ত-আবিদের মতো কত তরুন প্রান আনন্দ করতে এসে মারা যাচ্ছে। প্রশাসন কি বিষয়গুলো দেখছে?
  6. সৈকতে রাতের বেলা ভুতুরে অবস্থা সৃষ্টি হয়। কোথাও কোন আলোর ব্যাবস্থা নেই। সৈকতের মূল পয়েন্টগুলোয় সারা রাত আলোর ব্যাবস্থা করতে খুব বেশী কি অর্থের প্রয়োজন?
  7. একটা ভয়ংকর তথ্য সবাই জানুনঃ ইয়াছির লাইফ গার্ড স্টেশনের পরিচালক ও নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ডুবুরি মোস্তফা কামাল গত ১০ বছরে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে গোসল করতে নেমে ৮৫ জন পর্যটকের প্রাণহানি ও এক হাজার ২০০ জনকে উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কলাতলী থেকে ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকায় নিহত ৬২ পর্যটকের মধ্যে ৫১ পর্যটকের লাশ তাঁরাই উদ্ধার করেন। এই মৃত্যু আর দুর্ঘটনা থেকে আমরা কতটুকু সচেতন হয়েছি-সরকার কতটুকুই বা সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে?
আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে উপরে কিছু সমস্যা তুলে ধরলাম। এ ব্যাপারে আমার ব্যাক্তিগত কিছু সাজেশন দেইঃ
  1. কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে দেওয়া লিফলেটটি সব হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্কে থাকতে হবে। যখনই কোন নতুন গেষ্ট আসবেন তার হাতে সেটি তুলে দিয়ে পড়ে দেখতে অনুরোধ জানাতে হবে।
  2. সৈকতে এ যাবত চিহ্নিত গুপ্তখালগুলো ঘিরে দেবার ব্যাবস্থা করতে হবে। সাতার কেটে কেউ যেন বেশী দূরে না যেতে পারে সে জন্য নিরাপদ স্থানগুলো জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া যেতে পারে।
  3. ভাটার সময় পানিতে নামলে দন্ডের ব্যাবস্থা করা যেতে পারে।
  4. সৈকতের মূল পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী কোন নির্দেশমালা স্থাপন করতে হবে যা দেখে সবাই সতর্ক হতে পারে।
  5. তীর থেকে দূরে বোটে করে টঠল দেবার ব্যাবস্থা করতে হবে যাতে সবাইকে সহজে নিরাপদ স্থানে থাকতে সতর্ক করা যায় আর কেউ বিপদে পরলে দ্রুত উদ্ধার করা যায়।
  6. একেবারে সাতার যারা জানেন না তাদের জন্য লাইফ জ্যাকেটের পরিমান বাড়াতে হবে। বেসরকারিভাবে যারা লাইফ জ্যাকেট/টিউব সরবরাহ করেন তাদের অতিরিক্ত চার্জের কারনে অনেকেই লাইফ সেভিং এসব জিনীস ব্যাবহারে উতসাহ বোধ করেন না।
  7. ২৪ ঘন্টা গার্ডের ব্যাবস্থা রাখতে হবে। বর্তমান ব্যাবস্থায় খুব ভোরে/সন্ধ্যার পরে কেউ সৈকতে আসলে তার নিরাপত্তার জন্য কেউ থাকে না। ডুবুরি আর গার্ডের সংখ্যায় প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল যা বাড়ানো প্রয়োজন।
  8. রাতের বেলা মূল পয়েন্টগুলোতে লাইটের ব্যাবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে এনার্জি সেভিং লাইট লাগানো যেতে পারে।
কক্সবাজারে নিজে, সপরিবারে বা বন্ধুবান্ধব সহ যারা আসতে চান তাদের জন্য কিছু পরামর্শঃ
  1. পানিতে নামবার আগে অবশ্যই জোয়ার ভাটা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিবেন।ভাটার সময় পানিতে নামবার চিন্তা ভুলেও মাথায় আনবেন না।
  2. দুই লাল পতাকা মানেই হোল পতাকার অবস্থানের সোজা বরাবর গুপ্তখাল আছে। দুই পতাকা চিহ্নিত স্থান থেকে শত হাত দূরে থাকুন।
  3. পানিতে নেমে প্রাইভেসি খুজতে জাবেন না। যতোটুকু সম্ভব অনেক মানুষের সাথে পানিতে নামুন। যে কোন বিপদে সাহায্য পাবেন।
  4. অনেক তরুন পানিতে নেমে বড্ড এ্যাডভেঞ্চারাস হয়ে পরেন-নিজের জীবন কে তুচ্ছ জ্ঞ্যান করেন। একটু ভেবে দেখুন যে বাবা মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন তাদের কতটুকু ফেরত দিয়েছেন। নিজের জীবনকে ঝুকিতে ফেলার আগে নিজের আপনজনের কথা আরেকবার চিন্তা করে দেখুন।
  5. ছোট বাচ্চারা সাথে থাকলে প্রতিটি মুহুর্ত তাকে চোখে চোখে রাখুন। আপনার মুহূর্তের অসতর্কতা তার বড় ধরনের বিপদের কারন হতে পারে।
  6. একদম সাতার না পারলে হাটু পানির বেশী এগুবেন না। সম্ভব হলে লাইফ জ্যাকেট/টিউব ভাড়া করুন।
  7. আমার আপনার নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত লাইফ গার্ডদের নির্দেশ মেনে চলুন। মনে রাখবেন আমার আপনার থেকে তারা সমুদ্রের বিপদ সম্পর্কে অনেক ভাল জানেন,বুঝেন।
  8. বিপদে মাথা যতটুকু সম্ভব ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। সর্বদা লাইফ গার্ডদের সাহায্য নিন।
  9. মেয়েরা সালোয়ার,কামিজ আর ওড়না পরে পানিতে নামতে যাবেন না। কাপড়ে জট লেগে বিপদে পরার শতভাগ সম্ভাবনা থাকে।
  10. খুব ভোরে/সন্ধার পর পানিতে নামবেন না। সবকিছু জেনে বুঝে শতভাগ নিশ্চিত হয়েই পানিতে নামুন।
প্রতি দিন হাজার হাজার নতুন পর্যটকে মুখর হয়ে উঠে কক্সবাজার। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকতে হাংগর বা অন্য কোন জলজ প্রানী হানা দেয় না বলে এতো দিন এটি পর্যটকদের জন্য নিরাপদ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল।নিত্যনতুন হোটেলের নির্মান বলে দেয় ভ্রমনের স্থান হিসেবে কক্সবাজার আজো কতটুকু আকর্ষনীয়। আমরা চাই না আমাদের গর্ব এই সৈকতে কেউ এসে প্রান হারাক। আমি আর আমার স্ত্রী বেশ ভাগ্যবান হওয়ায় আল্লাহোর রহমতে বেচে গেছি-আমাদের মতো সৌভাগ্য অনেকের নাও হতে পারে। বেচে আছি বলেই আমার পক্ষে আজ এই লেখা লিখা সম্ভব হচ্ছে। সবার কাছে অনুরোধ কক্সবাজারে ভ্রমনের আগে নিজে সতর্ক হোন-অন্যকে সতর্ক করুন। কক্সবাজার সৈকত এখন সত্যিকার অর্থেই অনেক অনেক বেশী ঝুকিপূর্ন। আবিদের পরিচিতির কারনে গুপ্তখালের বিষয়টি এখন যেভাবে প্রচার পাচ্ছে এর আগে ততোটা পায় নি-অথচ বেশ কবছর ধরেই দুর্ঘটনার পরিমান কিন্তু বেড়েই চলছিল। হয়তো হোটেল ব্যাবসায়ীদের চাপে এসব খবর জাতীয় পত্রিকাগুলোর পাতায় আসে না বা আসলেও অনেকের চোখে পরে না। তাই সার্বিকভাবে সবার সচেতনতা একান্তই প্রয়োজন।

সেই দিন বেচে যাবার সাথে সাথেই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম কক্সবাজারের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আজকের এই লেখা সেই প্রয়াসের অংশ মাত্র। লেখাটি শেয়ার করে/লেখার বিষয়বস্তু সবাইকে জানিয়ে আমার প্রচেষ্টা সার্থক করবেন-সবার কাছে এই প্রত্যাশা।

Monday, July 25, 2011

Tour in Keo-Kra-Dong,Bandarban. Highest hill in Bangladesh

In 2005 some of my friends decided to visit Keo-Kra-Dong. They told me to join with them. I was very interested to visit Keo-Kra-Dong. I like this kind of adventure tour lot. I love to visit new places. So I agreed to visit Keo-Kra-Dong.
Picture: Going to Ruma Bazar, Bandarban, Bangladesh.
We decided to go  Keo-Kra-Dong on December 2005. Because all of my friends were busy with their study or jobs. So it was not possible to go their in the middle of the year. Thus we waited 6 months. Actually I was not so involve in all necessary planning and arrangement because of my busy time. My friends Jasim Bhai, Nipu and Rajib was closely involve in all kind of arrangement. We were 5 friends all together - Rajib, Topu, Emon, Jashim Vai, Nipu and me.

Picture: Going to Boga Lake, Bandarban,Bangladesh.
Keo-Kra-Dong is the most beautiful place that I had ever seen up to that time. I can’t explain how beautiful the place is. It is very beautiful place. The tour was full of adventure. It was too hard to walk in a hilly way. Actually none will understand it without walking in hilly path.

Picture: This is Boga Lake,Bandarban,Bangladesh.
At the first day of tracking, we started walking at 8am from Ruma Bazar and finished walking at 5pm.All day we walked on the hilly path and walking in hilly way is 20 times harder compare walking in a normal road.There were life risks also. One of my friend was Emon. He shocked see the hilly way and became very nervous and wanted to come back to Dhaka. But we overcome the critical situation.After 5pm we reach a village near to Boga Lake. And we surprised to see the beauty of Boga Lake. The lake was very beautiful. Next day we visited Keo-Kra-Dong after half day tracking in hilly way. We was so excited that we felt like we have won the world cup. That was a wonderful experience for all of us. It’s true that I will never forget this journey in my life.

Picture: Going to Keo-Kara-Dong,Bandarban,Bangladesh.
Adventure:
  • Waking in hilly way was very hard and painful. But i have enjoyed at the end.
  • We have seen some villages during going to Boga Lake and Keo-Kra-Dong.
  • We drank water from road side places when we finished our water.
  • It was a great advantage during arriving to the top of Keo-Kra-Dong.
Picture: Reached to Keo-Kra-Dong,Bandarban,Bangladesh.
 Memorable Moments:
  • Emon was very nervous to see the hilly way. So he wanted to come back to Dhaka. Night before the first day of tracking, he was very nervous.
  • We thought that we will walk in the hilly way with our bags which was full of many shirt and pants. But later we have realized that we have to take only urgent items. Otherwise it will be very hard to walk in the hilly way.
  • Jasim’s bhai thread us by saying - “You all don’t know how to walk in Hilly path”.
  • Nipu wore bad shoes. Thus he has faced lots of problem during walking in hilly way.
  • Nipu and Rajib’s has taken drugs for first time in Boga lake.
  • Rajibs has become ill.
  • Jasim bhai and Rajib ate meat of pig which is not allow for Muslim and Hinduism .
  • I had very bad health condition during returning back from Keo-Kra-Dong.
  • Emon’s used too much bad word to our guide because of unending path at time of returning to Ruma Bazar.
Picture: Keo-Kra-Dong,Bandarban, Bangladesh