AB-H

Sunday, April 23, 2017

খতিয়ান, সি এস খতিয়ান, এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান'' কি?

=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম, জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি, খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে “থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয় মৌজা ভিত্তিক।
.
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি নির্দেশক মৌজা নকশা এবং প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক দখলকারের বিররণ সংবলিত যে খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান নামে পরিচিত।
.
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর সরকারি জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত। বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায় যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি। তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক জেলাতেই আরএস খতিয়ান চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
.
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত।
.
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল বলে।
.
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে খানাপুরি বলে।
.
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে নতুন মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারী বলা হয়।
.
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে, মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য সন্নিবেশ থাকে।
.
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়। দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
.
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন: সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
.
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয় তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা” বলে।
.
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত। বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল ডিক্রিতে পরিণত করার আগে অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা চিটাদাগ নামে পরিচিত।
.
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন। কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
.
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে। কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয় বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে হয়।
.
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম, জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত। বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে পরিচিত।
.
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়, তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ বহন করে।
.
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে DCR বলে।
.
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
.
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
.
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয় বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী, সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
.
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত নির্দেশপত্রই আমলনামা।
.
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা খারিজ বলে।
.
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত হয়।
.
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
.
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে কিস্তোয়ার বলে।
.
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০ বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয় তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।

Sunday, January 8, 2017

জোকস: রোগী এবং ডাক্তার

১.
রোগী: আমার একটা সমস্যা আছে।
ডাক্তার: সব কিছু খুলে বলুন!
রোগী: ঠিক আছে।
ডাক্তার: একি শাড়ি খুলছেন কেন?
রোগী: আপনিতো সব কিছু খুলে বলতে বললেন!

২.
রোগী: ডাক্তার সাহেব আমার পাতলা পায়খানা হয়েছে, আপনি ঔষধ দেন।
ডাক্তার: কেমন পাতলা?
রোগী: এমন পাতলা যে আপনি কুলি করতে পারবেন!
ডাক্তার: What! ওয়াক থু!

৩.
ডাক্তার: আপনি বাবা হচ্ছেন!
ভ্দ্রলোক: আমি যে বাবা হচ্ছি সেটা যেন আমার স্ত্রী না জানে!
ডাক্তার: কেন?
ভদ্রলোক: আমি তাকে "Surprise" দিতে চাই!
ডাক্তার: কি!

৪.
ডাক্তার: আপনার পেটে গ্যাস জমেছে।
রোগী: আস্থে বলুন! গ্যাস নিয়ে সারা দেশে টানাটানি; যদি কউ জনাতে পারে তাহলে আমার ১২টা বাজবে!

৫.
রোগী: কাল হা করে ঘুমাতে যেয়ে আমার মুখের ভিতর একটা ইঁদুর ঢুকে গেছে।
ডাক্তার: আজ হা করে মুখের ভিতর একটা বিড়াল ঢুকিয়ে দিয়ে, ইঁদুর কে ধরবেন।

৬.
রোগী: কি ব্যাপার আপনার মলম যে কাজ করছে না?
ডাক্তার: মলক কোথায় লাগিয়েছেন?
রোগী: জাম গাছে।
ডাক্তার: জাম গাছে কেন?
রোগী: আপনি তো বলেছেন, যে জায়গায় ব্যাথা পেয়েছি সে জায়গায় লাগাতে!

৭.
ডাক্তার: বলছি না, এক বছরের শিশু যা খায় তাই খাবেন!
রোগী: পেরে উঠছি নাতো!
ডাক্তার: কি কি খাচ্ছেন?
রোগী: মাটি, জুতার ফিতা, কাগজ ইত্যাদি!

৮.
রোগী: ডাক্তার আমি কম শুনি।
ডাক্তার: বলেন তো ছয়!
রোগী: নয়।
ডাক্তার: মরাহাবা! আপনিতো কানে বেশি শোনেন!

৯.
ডাক্তার: কি সমস্যা?
রোগী: আমার পেটের ভিতর আগুন লেগে গেছে!
ডাক্তার: কি! বুজলেন কি ভাবে?
রোগী: গত কয়েকদিন ধরে, আমার মুখ দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে।

১০.
রোগী: স্যার আমার ওজন কমাতে চাই!
ডাক্তার: সকালে দুইটা রুটি, দুপুরে হ্যাফপ্লেট ভাত ও রাতে একটা রুটি খাবেন।
রোগী: এগুলো কি খাওয়ার আগে খাবো না পরে খাবো?

১১.
ডাক্তার: আজ কেমন আসেন?
রোগী: ভালো তবে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে কুব কষ্ট হচ্ছে!
ডাক্তার: চিন্তর কিছুনা, ওটা যাতে বন্ধ হয় সে ব্যবস্থা করছি।

১২.
ডাক্তার: অভিনন্দন! আপনার জোমজ বাচ্ছা হয়েছে।
মহিলা: হবেইতো! Filmকি এমনি এমনি দেখেছি! Dhom-2, Housefull-2, Jannat-2, Raz-2.
ডাক্তার: ভাগ্যিস Dhilli-6 দেখেননি!

১৩.
ডাক্তার: কি সমস্যা?
রোগী: আমার খাওয়ার পর ক্ষিদা চলে যায়।
ডাক্তার: এই ঔষুধ টা খাবেন ঘুমানোর ৫ মিনিট পর আর িএটা ঘুম থেকে ওঠার ১০ মিনিট আগে।

১৪.
রোগী: আমার ভীষণ পেট ব্যাথা!
ডাক্তার: আপনার পায়খানা কেমন?
রোগী: গরীব মানুষ পায়খানা আর কেমন হবে! ৩ পাশে বেড়া, আর সামনে ছিড়া ছালার পরদ্দা।

১৫.
ডাক্তার: কি সমস্যা আপনার?
রোগী: আমার নিজেকে একটা মুরগি মনে হয়।
ডাক্তার: কখন থেকে এ সমস্যা?
রোগী: হয়তো যেদিন আমি ডিম ছিলাম ঠিক তখন থেকে এ সমস্যা!

১৬.
ডাক্তার: আপনার কি সমস্যা?
রোগী: আমি কাল রাতে স্বপ্নে দেখেছি িএক বিশাল তরমুজ খেয়েছি!
ডাক্তার: এত ভাল।
রোগী: কিন্তু ঘুম ভাঙ্গার পর দেখি আমার কোল বালিশ নাই!

১৭.
রোগী: এই ঔষুধ খেলে আমার অসুখ সারবেতো?
ডাক্তার: আস্থে আস্থে সেরে যাবে।
রোগী: তাহলে আমি আসি স্যার।
ডাক্তার: আমার ফী দিয়ে যান।
রোগী: আস্থে আস্থে দিয়ে যাবো।

১৮.
ডাক্তার: ভালো স্বাস্থের জন্য প্রত্যেকদিন ব্যায়াম করবেন।
রোগী: আমি প্রত্যেকদিন ক্রিকেট খেলি।
ডাক্তার: কতক্ষণ খেলেন?
রোগী: যতক্ষণ ব্যাটারিতে চার্জ থাকে।

১৯.
ডাক্তার: কী ব্যাপার! আপনি চিন্তিত কেন?
রোগী: কারণ আমি যে গাড়ীর সাথে এ্যাক্সিডেন্ট করেছিলাম তার পিছনে লেখা, আবার দেখা হবে।

২০.
নার্স: স্যার আপনার স্ত্রীর ফোন।
ডাক্তার: তাতে কি হয়েছে?
নার্স: সে আপনাকে Kiss দিতে বলেছে।
ডাক্তার: আমি এখন ব্যস্ত। আমি তোমাকে দিচ্ছি, তুমি তা আমার স্ত্রীকে দিয়ে দিও।

২১.
রোগী: ডাক্তার সাহেব আমি ঘোড়ার মত কাজ করি, গরুর মত খাই, কুকুরের মত ক্লান্ত হয়ে পরি। কি করবো?
ডাক্তার: আমি কি ভাবে বলবো? আমিতো পশুর ডাক্তার নই!

২২.
রোগী: আমি একটা কলম গিলে ফেলেছি।
ডাক্তার: কিছু কাগজ গিলে ফেলেন।
রোগী: কেন ডাক্তার?
ডাক্তার: কবিতা, গল্প, উপন্যাস বের হয়ে আসবে।

২৩.
ডাক্তার: এক্সরে তে দেখলাম আপনার পেটে ওনেক গুলো চামচ, কেন বলেনতো?
রোগী: আপনি তো বলেছেন প্রত্যেকদিন দু’চামচ করে খেতে।

২৪.
ডাক্তার: আমার Prescription Follow করছেন তো?
রোগী: ওটা Follow করলে আমি মরে যেতাম!
ডাক্তার: কেন?
রোগী: ওটা যে চার তলার ছাদ থেকে পরে গিয়েছিল।

২৫.
ডাক্তার: আপনি চা, কপি, মদ, সিগারেট কী কী খান?
রাগী: থাক চিছু আনতে হবে না, আমি ওসব বাসা থেকে খেয়ে এসেছি।

Tuesday, January 3, 2017

২৪ বছরের প্রবাসীর গল্প...

এখন আর আমাকে নিয়ে আফসোস করি না. এখন আর পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করি না. এখন আর হারানো যৌবনের জন্য ভাবি না. এখন আর মধ্যরাত্রি দূস্বপ্নে ঘুম ভেঙে গেল একা একা কাঁদি না. এখন আর ২৪ বছরে ব্যর্থ প্রবাস জীবনের জন্য কাউকে দোষ দেই না.এখন আর ৪৫ডিগ্রী রোদের কাজ করার সময় একটু ছায়া খুঁজি না.জীবনের সমস্ত কষ্টগুলোকে আরবের মরুভুমিতে কবর দিয়েছি .তাই এখন আর আমার জীবনের কোন সুখের বা বেঁচে থাকার তাগিদা নেই. যতদিন বাঁচবে প্রবাসে বাঁচবে, যদি মরণ হয়ে যেন প্রবাসে হয়.এই জীবনটাই যাদের জন্য বিলিয়ে দিলাম প্রবাসে আজ তাঁরাই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু. যাদের সুখের জন্য প্রবাসে কাটিয়ে দিলাম ২যুগ তাঁরাই বলছে যোগ্যতার নেই বলে আমি আজ দুখি.

আজ থেকে অনেকদিন আগে বাবার সাথে যখন জমিতে ধান বুনতে বুনতে বাবাকে বলেছিলাম আমাকে বিদেশে পাঠান. আমি বিদেশ গিয়ে আপনের কষ্ট দূর করে দেব. আর অভাবে সাথে যুদ্ধ করতে হবে না. আমি ছিলাম বাবার প্রথম সন্তান তাই বাবার সাথে সব কাজ করতে হত আমাকে. আমারা ছিলাম ৩ভাই ৩বোন. যখন স্কুলের সময় সবাই স্কুলে যেত আর আমি যেতাম ক্ষেতে কাজ করতে. তবে এখন আর সেইদিন নেই ছোট ২ভাই দেশে ভাল চাকরি করে. বউ সন্তান নিয়ে নিজের ফ্লাট নিয়ে শহরে থাকে. ছোট ৩বোন চাকরি করে আর শ্বশুর বাড়িতে স্বামী সন্তান নিয়ে অনেক সুখে আছে. ওদের আর অভাবের সাথে যুদ্ধ করতে হয় না.আমার প্রবাস জীবনের প্রথম ১৫বছরের সব টাকা ওদের পড়ালেখা জন্য খরচ করছি. কখনো ওদের আমার কষ্টগুলো বুঝতে দেইনি. যখন যা চাইছে দিয়েছি. আর এখন মনে হয় এটাই ছিল আমার সবচেয়ে বড় ভুল. এই ভুল প্রতিটি প্রবাসী করে.

আমি প্রথম ১০বছর পর বাড়ি গিয়ে বিয়ে করলাম. আমাদের বাড়িটা খুব ছোট ও একটা ঘর ছিল আমাদের. এতগুলো মানুষ একটা ঘর. যদিও বাবা বলতে ঘর তুলার জন্য. আমি বলতাম ওদের পড়ালেখা শেষ হোক তারপর ঘর তুলবো. তাই আমি বাড়ি গিয়ে ছোট্ট একটা ঘর তুললাম দুচালে. বিয়ে কয়েক মাস অনেক সুখে কাটালাম. বউয়ের আদর সোহাগ পেয়ে ভুলে গেলাম ১০প্রবাস জীবনের কষ্ট গুলোকে. আসলে পুরুষের জীবনের সতি্যকারের স্বাদটা বিয়ে পরে আসে. সুখের দিন গুলো কখন যে ফুরিয়ে দেল বুঝতে পারলাম. ৬মাসের ছুটির শেষে বাবা হবো খবর পেয়েও সাথে করে ৩লক্ষ টাকা ঋন করে আবার চলে আসলাম সৌদিতে.প্রবাসীদের সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো ছুটি শেষে আবার প্রবাসে আসা.এই কষ্টটা শুধু প্রবাসীরাই বুঝতে পারে.প্রবাস জীবনের না পাওয়া ও হিসাব মিলাতে মিলাতে কেটে গেল অনেকগুলো বছর.

এখন আমার ২৪বছর প্রবাস জীবনে আর আমার বয়স ৫৬. এখন আমার সংসারে অনেক বড় হয়ে গেছে ৩মেয়ে ও ১ছেলে. ছেলেটা সবার ছোট. অনেকদিন ধরে ভাবছি দেশে চলে যাবো. এখন আমার কাছে ১০লক্ষ টাকা আছে . মেয়েগুলো বিয়ে সময় হয়ে যাচ্ছে. এই টাকাগুলো মেয়েদের বিয়ে দিতে খরচ হয়ে যাবে. তাহলে ছেলেটার ভবিষৎ কি? এই নিয়ে প্রতিদিন বউয়ের সাথে ঝগরা. অনেক ভেবে দেখলাম বউয়ের কথাগুলোই সতি্য, যে টাকা আছে ভাল পরিবারে মেয়ে বিয়ে দিতে গেল সব টাকা শেষ তাহলে ছেলের ভবিষৎ. আর এদিকে আমি ও বয়সের ভারে কালান্ত. 
  • আমাদের বাড়িটা ছিল ১৫শতাংশ ও বিলে কিছু জয়গা আছে. ২ভাইয়ের ৪ছেলে ও আমার এক ছেলে ভবিষৎ ঘর তুলার জয়গা থাকবে না, আবার বোনের অংশ আছে. 
  • বউ প্রায় বলতে আপনে তো ভাইবোনের জন্য অনেক কিছু করলেন ও তারা বাড়িতে থাকে না. বাবাকে বলেন আমাদের ছেলে জন্য ৩বোনের জয়গার অংশ লিখে দিতে. বউ বললো আপনের ২ভাই ঢাকা বাসায় নিয়ে ছেলে মেয়ে নিয়ে তো অনেক সুখে আছে ও আপনের বোনেরা নিজ সংসার নিয়ে অনেক সুখে আছে ওদের তো কোন কিছু অভাব নেই. আপনের কাছে কিছু টাকা আছে আর বিলের একটু জয়গা বেঁচে সেই টাকাগুলো দিয়ে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে ও একটা সিএনজি কিনে চালাবেন এত আমরা সুখে থাকতে পারবো হয়তো আপনের ভাইবোনদের মত বিলাসীতা থাকবে না. ছেলেটার জন্য বাড়িটা তো আছে. বউয়ের কথাগুলো এক মাস ভাবে দেখলাম সতি্য বলছে.
  • একদিন বাবাকে বললাম বউয়ের সেই কথাগুলো .কথাগুলো শুনে বাবা রেগে গেলেন অনেক গালাগালি করলেন. আর বললেন ওনি বেঁচে থাকতে কাউকে জায়গা দিবে না. ও বিক্রি করতে দেবে না. আর হাজারটা প্রশ্ন আমার এত বছরের টাকা কি করলাম সব টাকা নাকি শ্বশুরবাড়িতে দিয়েছি.
  • বাবার একটা কথায় অনেক কষ্ট পাইছি আমার ভাইবোনেরা তাদের যুগ্যতায় আজকে নাকি সফল ও সুখে আছে. আমি নাকি গন্ড মূর্খ তাই আমার কপালে এত কষ্ট.আর ওনার ছেলে মেয়েদের এক সুতা অংশ আমাকে টাকা বাদে দিবে না যদি টাকা দেই তাহলে ভাইবোনেরা দিবে.
  • এই নিয়ে আমার বউয়ের সাথে প্রতিদিনই অনেক ঝগরা হয়. আমি বাবাকে বলেছিলাম আজ আমার ভাই বোনের সফল হত না যদি আমি টাকা না দিতাম. ওদের ক্ষেতে চাষ করে খেতে হত. এর পর বাবা বললো আমি জানি তোর কষ্ট . আমি তোর ভাইবোনদের জিজ্ঞাসা করবো যদি দেয় তাহলে তোকে লিখে দেবো নয়তো পারবো না.কারন তুই আমার সন্তান ওরা আমার সন্তান .যত থাকুক ওদের সম্পদ. কিছুদিন পর বাবা বললো ওরা টাকা ছাড়া জায়গা দেবে না.
  • আমি আর বাবাকে কিছু বলি নাই. আমি বাবাকে দোষ দেই না কারন তার কাঁছে সবাই সমান. তবে পরে জানতে পারছি বাবা নাকি আমাকে জায়গা দিতে চেয়ে ছিলো. ভাইবোনদের প্ররোচনার কারনে দিতে পারে নাই. বাবাকে বলছে আমি বিদেশ থাকি যদি আমার বউ দেখেশুনা না করে তখন বাবার নাকি কষ্ট হবে.
  • যাহা হোক আর আমিও জায়গা চাইতাম না যদি ভাইয়েরা গ্রামের বাড়ি থাকতো. তবে মা চেয়েছিলো আমি যেন জায়গাটা পাই. এরপর গ্রামের বিচার সালিশে জয়গার দাম ধরা হলো ১২লক্ষ টাকা. কি করবো অনেক ভেবে চিন্তা করে রাজি হলাম.
ভাইবোনদের জন্য তো ১০বছর প্রবাসে কাটালাম এখন যদি নিজের সন্তানদের জন্য কিছু না করি ওপারে গিয়ে কি জবাব দেবে. জীবনের বাকিটা সময় ছেলের জন্য না হয় কাটিয়ে দিলাম. ভাইবোনদের কাছে আজ আমি বেইমান ও খারাপ মানুষ এখন যদি নিজের ছেলেমেয়েদের জন্য কিছু না করি তাহলে তো যতদিন বাঁচবো নিজের সন্তানদের কাছে অপরাধী হয়ে থাকতে হবে.মা বাবা ভাইবোন ও সমাজের সবাই জেনেও আজ প্রশ্ন করে এত বছরের টাকা কি করলাম. যখন আমার ছেলেটি না দেখে প্রশ্ন করে করবে কি এত বছরের টাকা কি করলাম, তখন কি জবাব দেবো ছেলেটির কাছে. তারপর কিছু টাকা ঋন করে বাড়ি ও বিলের জায়গা কিনে নিলাম.এখন আমি ৪লক্ষ টাকা ঋন নিয়ে বেঁচে আছি. ঋনের বোঝা এত ভারি যে কাউকে বুঝাতে পারবো না.

বার বার শুধু মনে পরছে কেন আমি আমার জন্য কিছু করলাম না. আজ বেইমান স্বার্থপর হয়ে গেলাম যদি আজ থেকে ১৫ বছরের আগে বেঈমান ও স্বার্থপর হতাম তাহলে আজকে এই বুড়া বয়সে কেদে কেদে প্রবাসে কাটাতে হত না. এখন তো ভাইবোন বাবা সবাই সুখে আছে. এখন আমার পরিবারের কেউ ডাকও দেয় না. তখন খুবই কষ্টে লাগে যখন শুনি ওদের ব্যবহারের কথা.

যাহা হোক প্রবাস জীবনের গল্প কখনো শেষ হবে না কারন আমরা প্রবাসে কখনো কঠিন ও বেঈমান স্বার্থপর হতে পারবো না. যে সমস্ত প্রবাসী ভাইয়েরা গল্পটি পড়বেন তাদের কয়েকটা কথা বলি. 
  • নিজের জন্য কিছু টাকা জমাবেন. নয়তো প্রবাস জীবন কখনো শেষ হবে না. আমার হয়তো কপাল খারাপ ভাইবোনদের বুঝাতে পারিনি.
  • এই পৃথিবীতে কেউ কারো নয় স্বার্থ ছারা. আজ যদি আমার ভাইবোন আমাকে একটু সহয়তা করতে তাহলে এখন বাড়ি যে কোন রকম খেয়ে কাটিয়ে দিতাম.
  • তবে সবার ভাগ্য এক নয়. আপনের ভাই হয়তো অনেক ভালো, আপনের ভাল চাইবে কিন্তু ভাইয়ের বউ কখনো চাইবে না. তেমনি বোন চাইলে বোনের স্বামী চাইবে না. 
  • এই পৃথিবীতে নিজের সন্তান চেয়ে কেউ আপন হয় না. আমি যেমন বাবার কাছে আপন ,তেমনি আবার ভাইয়ের কাছে ভাইয়ের সন্তান. আবার আমার কাছে আমার সন্তান. এখন ভাইয়েরা আমার চেয়ে নিজের সন্তানকে নিয়ে ভাববে ও সন্তানের ভবিষৎ চিন্তা করবে এটা আমাদের সমাজের নিয়ম.

এই গল্পটি সৌদিআরবের প্রবাসীর জীবন থেকে নেওয়া ও skype তে শুনে লেখা।

[Collected]

Sunday, July 3, 2016

বাংলাদেশের সকল থানার ওসি’দের সরকারী মোবাইল নম্বর

ডিএমপি, ঢাকা:
১) ওসি রমনা- ০১৭১৩৩৭৩১২৫
২) ওসি ধানমন্ডি- ০১৭১৩৩৭৩১২৬
৩) ওসি শাহাবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১২৭
৪) ওসি নিউ মার্কেট- ০১৭১৩৩৭৩১২৮
৫) ওসি লালবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৪
৬) ওসি কোতয়ালী- ০১৭১৩৩৭৩১৩৫
৭) ওসি হাজারীবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৩৬
৮) ওসি কামরাঙ্গীরচর- ০১৭১৩৩৭৩১৩৭
৯) ওসি সুত্রাপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৩
১০) ওসি ডেমরা- ০১৭১৩৩৭৩১৪৪
১১) ওসি শ্যামপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৪৫
১২) ওসি যাত্রাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩১৪৬
১৩) ওসি মতিঝিল- ০১৭১৩৩৭৩১৫২
১৪) ওসি সবুজবাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৫৩
১৫) ওসি খিলগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৫৪
১৬) ওসি পল্টন- ০১৭১৩৩৭৩১৫৫
১৭) ওসি উত্তরা- ০১৭১৩৩৭৩১৬১
১৮) ওসি এয়ারপোর্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৬২
১৯) ওসি তুরাগ- ০১৭১৩৩৭৩১৬৩
২০) ওসি উত্তরখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৪
২১) ওসি দক্ষিনখান- ০১৭১৩৩৭৩১৬৫
২২) ওসি গুলশান- ০১৭১৩৩৭৩১৭১
২৩) ওসি ক্যান্টনমেন্ট- ০১৭১৩৩৭৩১৭২
২৪) ওসি বাড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩১৭৩
২৫) ওসি খিলক্ষেত- ০১৭১৩৩৭৩১৭৪
২৬) ওসি তেজগাও- ০১৭১৩৩৭৩১৮০
২৭) ওসি তেজগাও শি/এ- ০১৭১৩৩৭৩১৮১
২৮) ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮২
২৯) ওসি আদাবর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৩
৩০) ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৩১৮৯
৩১) ওসি পল্লবী- ০১৭১৩৩৭৩১৯০
৩২) ওসি কাফরুল- ০১৭১৩৩৭৩১৯১
৩৩) ওসি শাহ আলী- ০১৭১৩৩৭৩১৯২

সিএমপি, চট্রগ্রাম
১) ওসি কোতয়ালী, সিএমপি- ০১৭১৩৩৭৩২৫৬
২) ওসি পাহাড়তলী (নর্থ জোন)- ০১৭১৩৩৭৩২৫৭
৩) ওসি পাচলাইশ- ০১৭১৩৩৭৩২৫৮
৪) ওসি চান্দগাও- ০১৭১৩৩৭৩২৫৯
৫) ওসি খুলসী- ০১৭১৩৩৭৩২৬০
৬) ওসি বাকুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩২৬১
৭) ওসি ওসি বায়েজিদ বোস্তামী- ০১৭১৩৩৭৩২৬২
৮) ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৭
৯) ওসি ডাবল মুরিং- ০১৭১৩৩৭৩২৬৮
১০) ওসি হালিশহর- ০১৭১৩৩৭৩২৬৯
১১) ওসি পতেঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৭০
১২) ওসি কর্ণফুলি- ০১৭১৩৩৭৩২৭১
১৩) ওসি ইমিগ্রেশন (বন্দর)- ০১৭১৩৩৭৩২৭২
১৪) ওসি পাহাড়তলী (বন্দর জোন)- ০১৭১৩৩৭৩২৭৩

কেএমপি, খুলনা
১) ওসি খুলনা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৫
২) ওসি সোনাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩২৮৬
৩) ওসি খালিশপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৭
৪) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩২৮৮
৫) ওসি খানজাহান আলী- ০১৭১৩৩৭৩২৮৯

আরএমপি, রাজশাহী
১) ওসি বোয়ালিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩০৯
২) ওসি রাজপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৩১০
৩) ওসি মতিহার- ০১৭১৩৩৭৩৩১১
৪) ওসি শাহ মাকদুম- ০১৭১৩৩৭৩৩১২

ঢাকা বিভাগ
১) ওসি সাভার- ০১৭১৩৩৭৩৩২৭
২) ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৩২৮
৩) ওসি কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩২৯
৪) ওসি নবাবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩০
৫) ওসি দোহার- ০১৭১৩৩৭৩৩৩১
৬) ওসি আশুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৩২
৭) ওসি দক্ষিন কেরানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৩৩
৮) ওসি নারায়নগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৫
৯) ওসি ফতুল্লা- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৬
১০) ওসি বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৭
১১) ওসি সিদ্দিরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৮
১২) ওসি আড়াইহাজার- ০১৭১৩৩৭৩৩৪৯
১৩) ওসি সোনারগাও- ০১৭১৩৩৭৩৩৫০
১৪) ওসি রুপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৫১
১৫) ওসি জয়দেবপুর ০১৭১৩৩৭৩৩৬৩
১৬) ওসি টংগী- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৪
১৭) ওসি কালিয়াকৈর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৫
১৮) ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৬
১৯) ওসি কাপাসিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৭
২০) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৬৮
২১) ওসি মানিকগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৭৯
২২) ওসি ঘিওর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮০
২৩) ওসি শিবালয়- ০১৭১৩৩৭৩৩৮১
২৪) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮২
২৫) ওসি হরিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৩
২৬) ওসি সাটুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৪
২৭) ওসি সিংগাইর- ০১৭১৩৩৭৩৩৮৫
২৮) ওসি মুন্সীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৬
২৯) ওসি টংগীবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৭
৩০) ওসি লৌহজং- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৮
৩১) ওসি শ্রীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৩৯৯
৩২) ওসি সিরাজদীখান- ০১৭১৩৩৭৩৪০০
৩৩) ওসি গজারিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪০১
৩৪) ওসি নরসিংদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১২
৩৫) ওসি রায়পুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৩
৩৬) ওসি শিবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪১৪
৩৭) ওসি বেলাবো- ০১৭১৩৩৭৩৪১৫
৩৮) ওসি মনোহরদী- ০১৭১৩৩৭৩৪১৬
৩৯) ওসি পলাশ- ০১৭১৩৩৭৩৪১৭
৪০) ওসি কোতয়ালী মযমনসিংহ-০১৭১৩৩৭৩৪৩০
৪১) ওসি মুক্তাগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩১
৪২) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৩২
৪৩) ওসি ত্রিশাল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৩
৪৪) ওসি গৌরীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৪
৪৫) ওসি ঈশ্বরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৫
৪৬) ওসি নান্দাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৬
৪৭) ওসি ফুলপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৭
৪৮) ওসি হালুয়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৮
৪৯) ওসি ধোবাউরা- ০১৭১৩৩৭৩৪৩৯
৫০) ওসি গফরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৪৪০
৫১) ওসি ভালুকা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪১
৫২) ওসি তারাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৪৪২
৫৩) ওসি টাঙ্গাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৪
৫৪) ওসি মির্জাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৫
৫৫) ওসি নাগরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৬
৫৬) ওসি সখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৭
৫৭) ওসি বাসাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৮
৫৮) ওসি দেলদুয়ার- ০১৭১৩৩৭৩৪৫৯
৫৯) ওসি মধুপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬০
৬০) ওসি ঘাটাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৬১
৬১) ওসি কালিহাতি- ০১৭১৩৩৭৩৪৬২
৬২) ওসি ভুয়াপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৩
৬৩) ওসি ওসি যমুনা ব্রীজ পূর্ব-০১৭১৩৩৭৩৪৬৪
৬৪) ওসি ধনবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৫
৬৫) ওসি গোপালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৬৬
৬৬) ওসি কিশোরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮০
৬৭) ওসি করিমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৪৮১
৬৮) ওসি তারাইল- ০১৭১৩৩৭৩৪৮২
৬৯) ওসি হোসেনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৩
৭০) ওসি কটিয়াদী- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৪
৭১) ওসি বাজিতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৫
৭২) ওসি কুলিয়ারচর- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৬
৭৩) ওসি ভৈরব- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৭
৭৪) ওসি ইটনা- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৮
৭৫) ওসি মিঠামইন- ০১৭১৩৩৭৩৪৮৯
৭৬) ওসি নিকলী- ০১৭১৩৩৭৩৪৯০
৭৭) ওসি পাকুন্দিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৪৯১
৭৮) ওসি অষ্টগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৪৯২
৭৯) ওসি নেত্রকোনা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৫
৮০) ওসি বারহাট্টা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৬
৮১) ওসি কলমাকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫০৭
৮২) ওসি আটপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫০৮
৮৩) ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫০৯
৮৪) ওসি পূর্বধলা- ০১৭১৩৩৭৩৫১০
৮৫) ওসি কেন্দুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৫১১
৮৬) ওসি মদন- ০১৭১৩৩৭৩৫১২
৮৭) ওসি মোহনগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫১৩
৮৮) ওসি খালিজুরি- ০১৭১৩৩৭৩৫১৪
৮৯) ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫২৩
৯০) ওসি নকলা- ০১৭১৩৩৭৩৫২৪
৯১) ওসি নলিতাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৫
৯২) ওসি শ্রীবর্দী- ০১৭১৩৩৭৩৫২৬
৯৩) ওসি ঝিনাইগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৫২৭
৯৪) ওসি জামালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৮
৯৫) ওসি মেলান্দহ- ০১৭১৩৩৭৩৫৩৯
৯৬) ওসি সরিষাবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৪০
৯৭) ওসি দেওয়ানগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪১
৯৮) ওসি ইসলামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৪২
৯৯) ওসি মাদারগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৩
১০০) ওসি বকশীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৪
১০১) ওসি বাহাদুরাবাদ- ০১৭১৩৩৭৩৫৪৫
১০২) ওসি কোতয়ালী ফরিদপুর-০১৭১৩৩৭৩৫৫৬
১০৩) ওসি মধুখালী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৭
১০৪) ওসি বোয়ালমারী- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৮
১০৫) ওসি আলফাডাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৩৫৫৯
১০৬) ওসি চরভদ্রাসন- ০১৭১৩৩৭৩৫৬০
১০৭) ওসি নগরকান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬১
১০৮) ওসি সদরপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৬২
১০৯) ওসি সালতা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৩
১১০) ওসি ভাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৫৬৪
১১১) ওসি গোপালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৫৭২
১১২) ওসি মকসুদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৩
১১৩) ওসি কাশিয়ানী- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৪
১১৪) ওসি কোটালীপাড়া-০১৭১৩৩৭৩৫৭৫
১১৫) ওসি টুঙ্গিপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৫৭৬
১১৬) ওসি মাদারীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৫
১১৭) ওসি রাজৈর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৬
১১৮) ওসি কালকিনি- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৭
১১৯) ওসি শিবচর- ০১৭১৩৩৭৩৫৮৮
১২০) ওসি রাজবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৫৯৮
১২১) ওসি বালিয়াকান্দি-০১৭১৩৩৭৩৫৯৯
১২২) ওসি পাংশা- ০১৭১৩৩৭৩৬০০
১২৩) ওসি গোয়ালন্দ- ০১৭১৩৩৭৩৬০১
১২৪) ওসি গোসাইরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৬১২
১২৫) ওসি ভেদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬১৩
১২৬) ওসি ডামুড্ডা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৪
১২৭) ওসি জাজিরা- ০১৭১৩৩৭৩৬১৫
১২৮) ওসি নড়িয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬১৬
১২৯) ওসি পালং- ০১৭১৩৩৭৩৬১৭
১৩০) ওসি শখিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৬১৮

চট্রগ্রাম বিভাগ:
১) ওসি রাউজান- ০১৭১৩৩৭৩৬৩৯
২) ওসি হাটহাজারী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪০
৩) ওসি ফটিকছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৬৪১
৪) ওসি রাংগুনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪২
৫) ওসি পটিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৩
৬) ওসি মীরসরাই- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৪
৭) ওসি সীতাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৫
৮) ওসি আনোয়ারা- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৬
৯) ওসি বোয়ালখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৭
১০) ওসি বাশখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৮
১১) ওসি সাতকানিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৪৯
১২) ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৫০
১৩) ওসি চান্দনাইশ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫১
১৪) ওসি সন্দীপ- ০১৭১৩৩৭৩৬৫২
১৫) ওসি কক্সবাজার- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৩
১৬) ওসি রামু- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৪
১৭) ওসি উখিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৫
১৮) ওসি টেকনাফ- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৬
১৯) ওসি চকোরিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৭
২০) ওসি কুতুবদিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৮
২১) ওসি মহেষখালী- ০১৭১৩৩৭৩৬৬৯
২২) ওসি পেকুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৭০
২৩) ওসি কোতয়ালী কুমিল্লা-০১৭১৩৩৭৩৬৮৫
২৪) ওসি চৌদ্দগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৬
২৫) ওসি দেবীদ্দার- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৭
২৬) ওসি হোমনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৮
২৭) ওসি লাকসাম- ০১৭১৩৩৭৩৬৮৯
২৮) ওসি দাউদকান্দি- ০১৭১৩৩৭৩৬৯০
২৯) ওসি বুড়িচং- ০১৭১৩৩৭৩৬৯১
৩০) ওসি চান্দিনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯২
৩২) ওসি বরুরা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৩
৩৩) ওসি লাঙ্গলকোট- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৪
৩৪) ওসি মুরাদনগর- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৫
৩৫) ওসি ব্রাক্ষ্মনপাড়া- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৬
৩৬) ওসি মেঘনা- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৭
৩৭) ওসি মনোহরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৮
৩৮) ওসি তিতাস- ০১৭১৩৩৭৩৬৯৯
৩৯) ওসি সদর দক্ষিন কুমিল্লা-০১৭১৩৩৭৩৭০০
৪০) ওসি চাদপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭১২
৪১) ওসি হাজীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৩
৪২) ওসি মতলব- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৩) ওসি মতলব উত্তর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৪
৪৪) ওসি মতলব দক্ষিন- ০১৭১৩৩৭৩৭১৫
৪৫) ওসি শাহারাস্তি- ০১৭১৩৩৭৩৭১৬
৪৬) ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭১৭
৪৭) ওসি ফরিদগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭১৮
৪৮) ওসি হাইমচর- ০১৭১৩৩৭৩৭১৯
৪৯) ওসি ব্রাক্ষ্মনবাড়ীয়া সদর-০১৭১৩৩৭৩৭৩০
৫০) ওসি সরাইল- ০১৭১৩৩৭৩৭৩১
৫১) ওসি আশুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৩২
৫২) ওসি নাসিরনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৩
৫৩) ওসি নবীনগর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৪
৫৪) ওসি বাঞ্ছারামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৫
৫৫) ওসি কসবা- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৬
৫৬) ওসি আখাউড়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৩৭
৫৭) ওসি সুধারাম, নোয়াখালী-০১৭১৩৩৭৩৭৪৮
৫৮) ওসি বেগমগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৪৯
৫৯) ওসি সেনবাগ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫০
৬০) ওসি সোনাইমুরি- ০১৭১৩৩৭৩৭৫১
৬১) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৫২
৬২) ওসি চাটখিল- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৩
৬৩) ওসি হাতিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৪
৬৪) ওসি চরজব্বার- ০১৭১৩৩৭৩৭৫৫
৬৫) ওসি লক্ষীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৫
৬৬) ওসি রায়পুরা- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৬
৬৭) ওসি রামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৭
৬৮) ওসি রামগাতি- ০১৭১৩৩৭৩৭৬৮
৬৯) ওসি ফেনী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৮
৭০) ওসি সোনাগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৭৯
৭১) ওসি ফুলগাজী- ০১৭১৩৩৭৩৭৮০
৭২) ওসি পরশুরাম- ০১৭১৩৩৭৩৭৮১
৭৩) ওসি ছাগলনাইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮২
৭৪) ওসি দাগনভুইয়া- ০১৭১৩৩৭৩৭৮৩

রাজশাহী বিভাগ
১) ওসি পবা- ০১৭১৩৩৭৩৮০০
২) ওসি গুদাগাড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮০১
৩) ওসি তানর- ০১৭১৩৩৭৩৮০২
৪) ওসি মোহনপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৩
৫) ওসি পুঠিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮০৪
৬) ওসি বাগমারা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৫
৭) ওসি দুর্গাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮০৬
৮) ওসি চারঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৮০৭
৯) ওসি বাঘা- ০১৭১৩৩৭৩৮০৮
১০) ওসি চাপাই নবাবগঞ্জ-০১৭১৩৩৭৩৮১৯
১১) ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮২০
১২) ওসি গোমস্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮২১
১৩) ওসি নাচোল- ০১৭১৩৩৭৩৮২২
১৪) ওসি ভোলাহাট- ০১৭১৩৩৭৩৮২৩
১৫) ওসি নওগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৬
১৬) ওসি রায়নগর- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৭
১৭) ওসি আত্রাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৮
১৮) ওসি ধামরাই- ০১৭১৩৩৭৩৮৩৯
১৯) ওসি বাদলগাছি- ০১৭১৩৩৭৩৮৪০
২০) ওসি মহাদেবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪১
২১) ওসি পাটনীতলা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪২
২২) ওসি নিয়ামতপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৩
২৩) ওসি মান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৪
২৪) ওসি সাপাহার- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৫
২৫) ওসি পর্শা- ০১৭১৩৩৭৩৮৪৬
২৬) ওসি নাটোর- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৭
২৭) ওসি সিংড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৫৮
২৮) ওসি বাঘাতিপাড়া-০১৭১৩৩৭৩৮৫৯
২৯) ওসি গুরুদাসপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬০
৩০) ওসি লালপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৬১
৩১) ওসি বরইগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৮৬২
৩২) ওসি নলডাংগা- ০১৭১৩৩৭৩৮৬৩
৩৩) ওসি কোতয়ালী, রংপুর-০১৭১৩৩৭৩৮৭৪
৩৪) ওসি গঙ্গাচুড়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৫
৩৫) ওসি ভোদরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৬
৩৬) ওসি তারাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৭
৩৭) ওসি মিঠাপুকুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৮
৩৮) ওসি পীরগাছা- ০১৭১৩৩৭৩৮৭৯
৩৯) ওসি কাউনিয়া- ০১৭১৩৩৭৩৮৮০
৪০) ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৮১
৪১) ওসি গাইবান্ধা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯২
৪২) ওসি সাদুল্লাপুর- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৩
৪৩) ওসি সুন্দরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৪
৪৫) ওসি পলাশবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৫
৪৬) ওসি গোবিন্দগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৬
৪৭) ওসি সাতঘাটা- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৭
৪৮) ওসি ফুলছড়ি- ০১৭১৩৩৭৩৮৯৮
৪৯) ওসি নিলফামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯০৯
৫০) ওসি সৈয়দপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯১০
৫১) ওসি জলঢাকা- ০১৭১৩৩৭৩৯১১
৫২) ওসি কিশোরগঞ্জ (নিলফামারী)-০১৭১৩৩৭৩৯১২
৫৩) ওসি ডোমার- ০১৭১৩৩৭৩৯১৩
৫৪) ওসি ডিমলা- ০১৭১৩৩৭৩৯১৪
৫৪) ওসি সৈয়দপুর পুলিশ ফাড়ী-০১৭১৩৩৭৩৯১৫
৫৫) ওসি কুড়িগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯২৬
৫৬) ওসি রাজারহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯২৭
৫৭) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯২৮
৫৮) ওসি নাগেশ্বর- ০১৭১৩৩৭৩৯২৯
৫৯) ওসি বুরুঙ্গামারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩০
৬০) ওসি উলিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩১
৬১) ওসি চিলমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩২
৬২) ওসি রৌমারী- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৩
৬৩) ওসি রাজীবপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৪
৬৪) ওসি দুসমারা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৫
৬৫) ওসি কোচাকাটা- ০১৭১৩৩৭৩৯৩৬
৬৬) ওসি লালমনিরহাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৬
৬৭) ওসি আদিতমারি- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৭
৬৮) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৮
৬৯) ওসি হাতিবান্দা- ০১৭১৩৩৭৩৯৪৯
৭০) ওসি পাটগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৩৯৫০
৭১) ওসি কোতয়ালী দিনাজপুর-০১৭১৩৩৭৩৯৬৩
৭২) ওসি চিরির বন্দর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৪
৭৩) ওসি রিরল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৫
৭৪) ওসি পার্বতীপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৬
৭৫) ওসি বীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৭
৭৬) ওসি বোছাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৮
৭৭) ওসি কাহারোল- ০১৭১৩৩৭৩৯৬৯
৭৮) ওসি খানসামা- ০১৭১৩৩৭৩৯৭০
৭৯) ওসি ফুলবাড়ী- ০১৭১৩৩৭৩৯৭১
৮০) ওসি বিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭২
৮২) ওসি নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর)-০১৭১৩৩৭৩৯৭৩
৮৩) ওসি ঘোড়াঘাট- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৪
৮৪) ওসি হাকিমপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৭৫
৮৫) ওসি ঠাকুরগাও- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৫
৮৬) ওসি বালিয়াডাঙ্গী-০১৭১৩৩৭৩৯৮৬
৮৭) ওসি রানীসঙ্কৌল- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৭
৮৮) ওসি পীরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৮
৮৯) ওসি হরিপুর- ০১৭১৩৩৭৩৯৮৯
৯০) ওসি পঞ্চগড়- ০১৭১৩৩৭৩৯৯৯
৯১) ওসি বোদা- ০১৭১৩৩৭৪০০০
৯২) ওসি আটোয়ারী- ০১৭১৩৩৭৪০০১
৯৩) ওসি তেতুলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০০২
৯৪) ওসি দেবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০০৩
৯৫) ওসি পাবনা- ০১৭১৩৩৭৪০১৬
৯৬) ওসি ঈশ্বরদী- ০১৭১৩৩৭৪০১৭
৯৭) ওসি আটঘরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০১৮
৯৮) ওসি চাটমোহর- ০১৭১৩৩৭৪০১৯
৯৯) ওসি ভঙ্গোরা- ০১৭১৩৩৭৪০২০
১০০) ওসি ফরিদপুর (পাবনা)-০১৭১৩৩৭৪০২১
১০১) ওসি সূর্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪০২২
১০২) ওসি বেড়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৩
১০৩) ওসি সাথিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০২৪
১০৪) ওসি আতাইকুলা- ০১৭১৩৩৭৪০২৫
১০৫) ওসি সিরাজগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৩৮
১০৬) ওসি শাহাজাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৩৯
১০৭) ওসি উল্লাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৪০
১০৮) ওসি চৌহালী- ০১৭১৩৩৭৪০৪১
১০৯) ওসি তারাস- ০১৭১৩৩৭৪০৪২
১১০) ওসি কাজিপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৩
১১১) ওসি কামারকান্দা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৪
১১২) ওসি রায়গঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৪৫
১১৩) ওসি বেলকুচি- ০১৭১৩৩৭৪০৪৬
১১৪) ওসি যমুনা ব্রীজ পশ্চিম-০১৭১৩৩৭৪০৪৭
১১৫) ওসি সালাঙ্গা- ০১৭১৩৩৭৪০৪৮
১১৬) ওসি এনায়েতপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৪৯
১১৭) ওসি বগুড়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬১
১১৮) ওসি শিবগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪০৬২
১১৯) ওসি সোনাতলা- ০১৭১৩৩৭৪০৬৩
১২০) ওসি গাবতলী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৪
১২১) ওসি সারিয়াকান্দি-০১৭১৩৩৭৪০৬৫
১২২) ওসি আদমদিঘী- ০১৭১৩৩৭৪০৬৬
১২৩) ওসি ধুপচাচিয়া- ০১৭১৩৩৭৪০৬৭
১২৪) ওসি কাহালু- ০১৭১৩৩৭৪০৬৮
১২৫) ওসি শেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৬৯
১২৬) ওসি ধুনট- ০১৭১৩৩৭৪০৭০
১২৭) ওসি নন্দিগ্রাম- ০১৭১৩৩৭৪০৭১
১২৮) ওসি শাহজাহানপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৭২
১২৯) ওসি জয়পুরহাট- ০১৭১৩৩৭৪০৮২
১৩০) ওসি কালাই- ০১৭১৩৩৭৪০৮৩
১৩১) ওসি ক্ষেতলাল- ০১৭১৩৩৭৪০৮৪
১৩২) ওসি আক্কেলপুর- ০১৭১৩৩৭৪০৮৫
১৩৩) ওসি পাচবিবি- ০১৭১৩৩৭৪০৮৬

খুলনা বিভাগ
১) ওসি ফুলতলা- ০১৭১৩৩৭৪১০৩
২) ওসি দিঘলিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৪
৩) ওসি পাইকগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১০৫
৪) ওসি বটিয়াঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১০৬
৫) ওসি ডুমুরিয়া- ০১৭১৩৩৭৪১০৭
৬) ওসি তেরখাদা- ০১৭১৩৩৭৪১০৮
৭) ওসি রুপসা- ০১৭১৩৩৭৪১০৯
৮) ওসি দাকোপ- ০১৭১৩৩৭৪১১০
৯) ওসি কয়রা- ০১৭১৩৩৭৪১১১
১০) ওসি বাগেরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২২
১১) ওসি ফকিরহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৩
১২) ওসি মোল্লারহাট- ০১৭১৩৩৭৪১২৪
১৩) ওসি চিতলমারী- ০১৭১৩৩৭৪১২৫
১৪) ওসি কচুয়া- ০১৭১৩৩৭৪১২৬
১৫) ওসি মোরলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১২৭
১৬) ওসি শরনখোলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৮
১৭) ওসি মংলা- ০১৭১৩৩৭৪১২৯
১৮) ওসি রামপাল- ০১৭১৩৩৭৪১৩০
১৯) ওসি সাতক্ষীরা- ০১৭১৩৩৭৪১৪১
২০) ওসি কলারোয়া- ০১৭১৩৩৭৪১৪২
২১) ওসি তালা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৩
২২) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৪৪
২৩) ওসি শ্যামনগর- ০১৭১৩৩৭৪১৪৫
২৪) ওসি দেবহাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৬
২৫) ওসি আশাশুনি- ০১৭১৩৩৭৪১৪৭
২৬) ওসি পাটকেলঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪১৪৮
২৭) ওসি কোতয়ালী যশোর-০১৭১৩৩৭৪১৬১
২৮) ওসি ঝিকরগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬২
২৯) ওসি শার্শা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৩
৩০) ওসি চৌগাছা- ০১৭১৩৩৭৪১৬৪
৩১) ওসি মনিরামপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৫
৩২) ওসি কেশবপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৬
৩৩) ওসি অভয়নগর- ০১৭১৩৩৭৪১৬৭
৩৪) ওসি বাঘারপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪১৬৮
৩৫) ওসি বেনাপোল পোর্ট-০১৭১৩৩৭৪১৬৯
৩৬) ওসি বেনাপোল চেক পোষ্ট-০১৭১৩৩৭৪১৭০
৩৭) ওসি মাগুরা- ০১৭১৩৩৭৪১৭৯
৩৮) ওসি শালিখা- ০১৭১৩৩৭৪১৮০
৩৯) ওসি শ্রীপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮১
৪০) ওসি মোহাম্মদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৮২
৪১) ওসি ঝিনাইদহ- ০১৭১৩৩৭৪১৯২
৪২) ওসি কালিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪১৯৩
৪৩) ওসি শৈলকুপা- ০১৭১৩৩৭৪১৯৪
৪৪) ওসি হরিনাকুন্ডু- ০১৭১৩৩৭৪১৯৫
৪৫) ওসি কোটচাদপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৬
৪৬) ওসি মহেশপুর- ০১৭১৩৩৭৪১৯৭
৪৭) ওসি নড়াইল- ০১৭১৩৩৭৪২০৬
৪৮) ওসি কালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৭
৪৯) ওসি লোহাগড়া- ০১৭১৩৩৭৪২০৮
৫০) ওসি নড়াগাতি- ০১৭১৩৩৭৪২০৯
৫১) ওসি কুষ্টিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২২০
৫২) ওসি খোকসা- ০১৭১৩৩৭৪২২১
৫৩) ওসি কুমারখালী- ০১৭১৩৩৭৪২২২
৫৪) ওসি ভেড়ামারা- ০১৭১৩৩৭৪২২৩
৫৫) ওসি দৌলতপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৪
৫৬) ওসি মিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২২৫
৫৭) ওসি ইসলামী ইউনিভার্সিটি-০১৭১৩৩৭৪২২৬
৫৮) ওসি চুয়াডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৬
৫৯) ওসি আলমডাংগা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৭
৬০) ওসি জীবননগর- ০১৭১৩৩৭৪২৩৮
৬১) ওসি ডামুরহুদা- ০১৭১৩৩৭৪২৩৯
৬২) ওসি মেহেরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৪৯
৬৩) ওসি গাংনী- ০১৭১৩৩৭৪২৫০
৬৪) ওসি মুজিবনগর- ০১৭১৩৩৭৪২৫১

বরিশাল বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী বরিশাল-০১৭১৩৩৭৪২৬৭
২) ওসি হিজলা- ০১৭১৩৩৭৪২৬৮
৩) ওসি মেহেদীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৬৯
৪) ওসি মুলাদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭০
৫) ওসি বাবুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭১
৬) ওসি বাকেরগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪২৭২
৭) ওসি বানারীপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৩
৮) ওসি আগৌলঝাড়া- ০১৭১৩৩৭৪২৭৪
৯) ওসি গৌরনদী- ০১৭১৩৩৭৪২৭৫
১০) ওসি উজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৭৬
১১) ওসি ঝালকাঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৬
১২) ওসি নলছিঠি- ০১৭১৩৩৭৪২৮৭
১৩) ওসি রাজাপুর- ০১৭১৩৩৭৪২৮৮
১৪) ওসি কাঠালিয়া- ০১৭১৩৩৭৪২৮৯
১৫) ওসি ভোলা- ০১৭১৩৩৭৪৩০০
১৬) ওসি দৌলতখান- ০১৭১৩৩৭৪৩০১
১৭) ওসি তজুমুদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০২
১৮) ওসি বোরহানউদ্দিন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৩
১৯) ওসি লালমোহন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৪
২০) ওসি চরফ্যাশন- ০১৭১৩৩৭৪৩০৫
২১) ওসি মনপুরা- ০১৭১৩৩৭৪৩০৬
২২) ওসি পটুয়াখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩১৮
২৩) ওসি বাউফল- ০১৭১৩৩৭৪৩১৯
২৪) ওসি গলাচিপা- ০১৭১৩৩৭৪৩২০
২৫) ওসি দশমিনা- ০১৭১৩৩৭৪৩২১
২৬) ওসি দুমকী- ০১৭১৩৩৭৪৩২২
২৭) ওসি কলাপাড়া- ০১৭১৩৩৭৪৩২৩
২৮) ওসি মির্জাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩২৪
২৯) ওসি রাঙ্গাবালি- ০১৭১৩৩৭৪৩২৫
৩০) ওসি পিরোজপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৬
৩১) ওসি ভান্ডারিয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৭
৩২) ওসি নেসারাবাদ- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৮
৩৩) ওসি কাউখালী- ০১৭১৩৩৭৪৩৩৯
৩৪) ওসি নাজিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪০
৩৫) ওসি জিয়া নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৪১
৩৬) ওসি মঠবাড়ীয়া- ০১৭১৩৩৭৪৩৪২
৩৭) ওসি বরগুনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৩
৩৮) ওসি আমতলী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৪
৩৯) ওসি পাথরঘাটা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৫
৪০) ওসি বেতাগী- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৬
৪১) ওসি বামনা- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৭
৪২) ওসি তালতলি- ০১৭১৩৩৭৪৩৫৮

সিলেট বিভাগ
১) ওসি কোতয়ালী (সিলেট)- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৫
২) ওসি বালাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৬
৩) ওসি জৈন্তাপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৭
৪) ওসি গোয়াইনঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৮
৫) ওসি কানাইঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৩৭৯
৬) ওসি কোম্পানীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮০
৭) ওসি জকিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮১
৮) ওসি বিয়ানীবাজার- ০১৭১৩৩৭৪৩৮২
৯) ওসি গোলাপগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৩
১০) ওসি বিশ্বনাথ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৪
১১) ওসি ফেঞ্চুগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৫
১২) ওসি দক্ষিন সুরমা- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৬
১৩) ওসি ওসমানী নগর- ০১৭১৩৩৭৪৩৮৭
১৪) ওসি হবিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৮
১৫) ওসি মাধবপুর- ০১৭১৩৩৭৪৩৯৯
১৬) ওসি চুনারুঘাট- ০১৭১৩৩৭৪৪০০
১৭) ওসি বাহুবল- ০১৭১৩৩৭৪৪০১
১৮) ওসি লাখাই- ০১৭১৩৩৭৪৪০২
১৯) ওসি নবীগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৩
২০) ওসি বানিয়াচং- ০১৭১৩৩৭৪৪০৪
২১) ওসি আজমিরিগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৫
২২) ওসি শায়েস্তাগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪০৬
২৩) ওসি সুনামগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪১৮
২৪) ওসি ছাতক- ০১৭১৩৩৭৪৪১৯
২৫) ওসি জগন্নাথপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২০
২৬) ওসি তাহিরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২১
২৭) ওসি বিশ্বম্বরপুর- ০১৭১৩৩৭৪৪২২
২৮) ওসি দোয়ারাবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪২৩
২৯) ওসি দিরাই- ০১৭১৩৩৭৪৪২৪
৩০) ওসি সালনা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৫
৩১) ওসি জামালগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪২৬
৩২) ওসি ধর্মপাশা- ০১৭১৩৩৭৪৪২৭
৩৩) ওসি মধ্যনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪২৮
৩৪) ওসি মৌলভীবাজার-০১৭১৩৩৭৪৪৩৯
৩৫) ওসি শ্রীমঙ্গল- ০১৭১৩৩৭৪৪৪০
৩৬) ওসি কমলগঞ্জ- ০১৭১৩৩৭৪৪৪১
৩৭) ওসি রাজনগর- ০১৭১৩৩৭৪৪৪২
৩৮) ওসি কুলাউড়া- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৩
৩৯) ওসি বড়লেখা- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৪
৪০) ওসি জুরি- ০১৭১৩৩৭৪৪৪৫

Friday, July 17, 2015

আপনি মুসলিম/হিন্দু/ক্রিস্টান/বুদ্ধ আগে, নাকি বাংলাদেশী আগে?

অনেক বছর যাবৎ খেয়াল করছিলাম ফেসবুকে এবং ব্লগে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় বা অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে সুযুক্তি-কুযুক্তিতে মানুষজন মেতে ওঠে। এর মধ্যে কিছু বিষয়গুলা এমন যে দুই দিকেই পাল্লা ভারী থাকে, কিন্তু এক পক্ষ অন্য পক্ষকে মানতে চায় না, কিংবা প্রশ্নগুলাই ভিত্তিহীন হয়। এমনই কিছু বিষয় হলো,
  • আপনি মুসলিম/হিন্দু/ক্রিস্টান/বুদ্ধ আগে, নাকি বাংলাদেশী আগে?
  • ডিম আগে, নাকি মুরগি আগে?
  • দিন  আগে, নাকি রাত আগে?
  • সৃষ্টিকর্তা আছে, নাকি নাই?
  • ধর্মের প্রয়োজন আছে, নাকি নাই?
  • ধর্মগ্রন্থগুলা কি সৃষ্টিকর্তার দেয়া, নাকি মানুষের লেখা?
  • (আরো আছে, মনে পড়লে লিখবো) 

আমি আবার অফিসের কাজ ছাড়া অন্য বিষয়গুলা নিয়া সিরিয়াস কম থাকি। ছোট একটা জীবনে যদি সব সময় যদি সিরিয়াসই থাকি, তাহলে মজা করবো কখন আর হাসি-খুশি থাকবো কখন? সেদিন চট করে মাথায় এলো যে এরকম একটা বিষয় নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করি,
  • দেখা যাক আমার ফেসবুকের বন্ধুরা কি উত্তর দেয় এবং আজকাল তাদের মত কি?
  • দেখা যাক আমাদের এখন কোন দিকের পাল্লা ভারী?
  • দেখা যাক কয়জন বুজতে পারে যে এসব বিষয়গুলা নিয়ে আলাপ করে কোনো লাভ নাই
তাই এক-দুই মিনিট ভেবেই পোস্ট করে দিলাম নিচের প্রশ্নটা,
"আপনি আগে মুসলিম/হিন্দু/ক্রিস্টান/বুদ্ধ, নাকি আগে বাংলাদেশী?"
এই প্রশ্নটা করলে আপনার উত্তর কি হবে বা হওয়া উচিত?
ধারণা করছিলাম যে, 
  • কেউ কেউ থাকবে পক্ষে বা বিপক্ষে
  • কেউ কেউ বেশি উগ্র জবাব দিবে পক্ষে বা বিপক্ষে
  • কেউ কেউ নিজের যুক্তিটাই বড় করে দেখবে এবং অন্যের যুক্তি বুজবেই না বা মানতে চাইবে না
  • কেউ কেউ বেশি ইমোসনাল হয়ে উল্টা-পাল্টা লিখবে
যেমনটা ফেসবুকে এবং ব্লগে হয় আর কি। আমার পোস্টেও এর বাতিক্রম হলো না। যা হোক.

ফেসবুকে সবার মতামত দেখলাম, কিন্তু আমার মতামত কি দেয়া হয় নাই. ঠিক করেছিলাম একেবারে পরে আমার মতামত দিব. আমার চিন্তাগুলা এমন,
  • "আপনি আগে মুসলিম/হিন্দু/ক্রিস্টান/বুদ্ধ, নাকি আগে বাংলাদেশী?" - এই প্রশ্নতাই আসলে কুযুক্তিবাদীদের বা ঝগড়া লাগানোর জন্য তৈরী। আপনি শার্ট আগে পরবেন, নাকি পান্ট আগে পরবেন - এটা আপনার বাক্তিগত এবং অভ্যাসের বিষয়। এবং যেটাই আগে করেন সেটা আপনার বাক্তিগত পছন্দ 
  • আমি বাংলাদেশী এটা যেমন আমার পরিচয়, তেমনি আমি মুসলিম এটাও আমার পরিচয়।এরমধ্যে আগে পরে বলে কোনো কথা নাই. আপনার বুজতে হবে একটা মানুষের একাধিক পরিচয় থাকতে পারে। যেমন আমি একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, প্রজেক্ট ম্যানেজার। 
  • আমি একজন বাঙ্গালি ও আমার জাতীয়তা বাংলাদেশী। কারণ আমি এই দেশে জন্মগ্রহণ করেছি। এই দেশে বড় হয়েছি, পড়াশুনা করেছি, উপার্জন করছি। তাই দেশকে সবসময় কিছু দেয়ার ইচ্ছা রাখি সবসময়।
  • আমি একজন মুসলিম। কারণ আমার দৈনন্দিন দিনের চলাফেরা, ভালো-মন্দ, বেবহার, আচার-আচরণ, পোশাক-আশাক, খাওয়া-দাওয়া ইসলাম শিখিয়েছে। আর ২০০৯ এ আমি ইসলামকেই সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য পেয়েছি এবং গ্রহণ করেছি। (আগেতো আব্বু-আম্মু মুসলিম বলে, আমি মুসলিম ছিলাম). 
  • "আমি বাঙ্গালি ও বাংলাদেশী" আগে লিখেছি এবং "আমি একজন মুসলিম" পরে লিখেছি। এ নিয়েও কেউ কেউ তর্ক-বিতর্ক শুরু করে দিতে পারে। কিন্তু বুজতে হবে - কোনো না কোনটা তো আগে লিখতেই হবে। এ নিয়ে রাজনীতি(তর্ক-বিতর্ক,ঝগড়া) করার কিছু নাই।
আমার ফেসবুকের বন্ধুদের মতামতের পর আমার ধারণাগুলো,
  • যারা ধর্ম কম মানে বা মানে না, তারা ধর্ম থেকে দেশের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। 
  • যারা ধর্ম মেনে চলার চেষ্টা করে, তারা ধর্মকেই একটু গুরত্ব দিয়ে থাকেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার কাছে দেশের আগে ধর্ম। 
  • যারা ইসলাম ধর্ম মেনে চলার চেষ্টা করে, তারা আরেকটি কারণে ধর্মকেই একটু বেশী গুরত্ব দিয়ে থাকেন। তাদের চিন্তা - "যে আল্লাহ(সৃষ্টিকর্তা) আমাদের সৃষ্টি করেছেন, যে এই বিশ্ব সৃষ্টি করেছেন, তার প্রণীত ধর্মের এবং তার ইবাদতের উপর তো গুরুত্ব বেশি দিতেই হয়. মরার পর তো আলাহর কাছেই যেতে হবে. তখনতো দেশ তাকে বাচাবে না।" কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার কাছে দেশের কোনো গুরুত্ব নাই। 
  • আবার যারা মনে মনে চিন্তা করে - "যদি সত্যিই মরার পড় দেখি যে ঘটনাতো সত্যি - জান্নাত-জাহান্নাম তো আছে. তো তখন আমার কি হবে. তাই ধর্মের ক্ষতি নাই এমন  জিনিসগুলা পালন করলে তো সমস্যা নাই". তারাও ধর্মকেই একটু গুরত্ব দিয়ে থাকেন।
  • আমি যা বলব তাই ঠিক, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নাই। অন্যের কথা শোনা উচিত,গুরত্ব দেয়া উচিত এবং তার দৃষ্টিভঙ্গি বোঝা উচিত।
  • আমরা সবাই সবসময় জিততে চাই তা ভুল বা ঠিক দিয়ে হোক তা কেন? এটা ঠিক নয়।
  • আমাকে সব কথার জবাব দিতে হবে এমন কোনো কথা নেই যদি এতে আমার ক্ষতি না হয়।যদি বুজতে পারি যে অপরপক্ষ কোনো মতেই বুজবে না। তাহলে অযথা কথা বাড়িয়ে লাভ নাই।
  • বিতর্ক ভালো জিনিস, কিন্তু উগ্রতা ভালো নাহ।
  • একই বাক্য সুন্দর করে বা বাজে ভাবে লেখা যাই। আমাদের সুন্দর করে লেখা উচিত যেন কঠিনগুলাও যেন হজম করতে সুবিধা হয়।
  • .....
আমার ফেসবুকের বন্ধুদের মতামতের মধ্যে যুক্তিসংগত পোস্টগুলা তুলে ধরলাম যদিও অনেক পোস্টগুলা নিদ্রিষ্ট বিষয়ের বাইরে,
  • অবশ্যই আমি মুসলিম, ধর্ম আর দেশ দুইটা দুই জিনিস
  • উত্স:বাংলাদেশি, প্রকৃতি:মুসলিম, অবয়ব: প্রভাবিত(বাংলাদেশি), সুসংবদ্ধ:(মুসলিম), প্রভাব: সুনির্দিস্ট (বাংলাদেশি),সার্বজনীন (মুসলিম). বাঙ্গালি মুসলিম সঠিক,কিন্তু মুসলিম বাঙ্গালি নয়. (কারণ ব্যক্তিসত্ত্বা কে প্রভাবিত করে জ্ঞানলব্ধ গুণ)
  • I don't want to hit somebody. Muslim is our first introduction and being a Bangladeshi is also Allah's swt decision.I don't know everything, but the more i know I want to keep it up. I think you want to find out some contradiction, there is no way. Patriotism is also a part of our religion beyond other thing.
  • আমার প্রশ্ন তারো আগে, আমি বাংগালি, পাহাড়ি, নাকি বাংলাদেশী।
  • আমার মাঝে আঞ্চলিকতা বেশ কম। শুধু বাংলাদেশি বলেই আমি একজন কে বাঁচাতে যাবো না। যদি এমন হয় বাংলাদেশি মানুষটাকে আমি চিনিই না কিন্তু আমেরিকান জন গত দশ বছর ধরে আমার বন্ধু, আমি আমেরিকানকেই বাঁচাবো। কিন্তু যদি দুইজনই অপরিচিত হয় তাইলে বাংলাদেশির চান্স বেশি!! কারন সে সাহায্য চাইবে বাংলাতে! আমি মনে করি মানুষের সাথে সম্পর্ক হবার জন্য ভাষা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
  • Muslim. And I believe in terms of identity, ideology should come first.
  • আমাদের দেশের অধিকাংশ সিলেটের লোকেরা কিন্তু বিদেশে গিয়া বলেনা আমার বাড়ি বাংলাদেশ, ওরা বলে সিলেট, এখন ব্যাপার হলো দেশ একট সিমান্র মধ্যে আবধ্য, কিন্তু ধর্মের কিন্তু কোন সিমা নাই, একটা ঘটনা বলি, আমেরিকার এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেন্ট অফিসার এক লোকের নামের আগে মোহাম্মদ আর পাসপোর্টে দেশের জাগায় বাংলাদেশ দেখে জানতে চায় তুমি মুস্লিম, লোক্টা মাথা নাড়ে, এইবার জান্তে চায় বাংলাদেশ সেটা কোথায়? উনি বলেন বাংলাদেশের পাসে ইন্ডিয়া, অফিসার বলে ও আচ্ছা ইন্ডিয়ার পাসে বাংলাদেশ। ভদ্রলোক মাথা নেড়ে বলে না বাংলাদেশের পাসে ইন্ডিয়া, এখানে আস্ফাকের প্রশ্নটা আসতে পারে কোনটা আগে ভারত না বাংলাদেশ, গল্পের মুল প্রতিপাদ্য হইলো ধর্ম মানুষের কর্মে বর্নে আর নামে ঢুকে গেছে। সুতারাং ধর্ম মানুষের বিসাল একটা সংযোগের জায়গা। এই কিছু মানুষই গোত্রে বিভক্ত, এই গোত্র আদিম কাল থেকে বিদ্য মান আছে থাকবে, থাকা দরকারও, আমি বলব জয় গোত্রের জয়।
  • আমার মন্তব্য কেন প্রয়োজন বুঝলাম না, একেই এই সব প্রশ্ন করা হলে তার জবাব দিতে আমার আগ্রহ থাকে না, দ্বিতীয়ত,প্রশ্নের দ্বিতীয় অংশ আবার উত্তর কী হওয়া উচিৎ- অর্থাৎ, নৈতিকতার বিষয়। নৈতিকতা এক চিরপরিবর্তনশীল ধারণা।ব্যক্তিতে, রাষ্ট্রে, সময়ে এই ধারণা বদলে যায়। যাক, এসেছি যখন বলেই যাই, জাতিতে আমি বাঙালি। রাষ্ট্র বা ধর্ম বদলে ফেললেও এই পরিচয় ধ্বংস করা যাবে না। আর কোনো পরিচয়-ই আমি জন্মসূত্রে বহন করি না,বরং পৃথিবীতে আসার পরে রাষ্ট্রীয় আর ধর্মীয় পরিচয় আমাকে তুলে দেয়া হয়েছে। বিদায়..............
  • When you'll go abroad everyone will ask you where are you from, not your religion. When you are born, you born here as a Bangladeshi. You born in a Muslim family doesn't make you a Muslim. You nature, food habit depends on the region you are from. Not all Arabians are Muslim and not all american/Europeans are christian. Region defines our behavior and who we are not religion. Religion is someone's personal belief.
  • যেমন ধর আমাদের সমাজে ৯০% লোক জামা কাপর পরে ১% ও কম যারা পরেনা তোমার কাছে কোন্টা ঠিক জামা কাপর পরা না পরাটা, উত্তর যদি হয় পরা তাহলে তুমি মেজরিটির কথা মেনে নিলে, আমাদের সমাজে মেজরিটি কিন্তু ধর্ম নিয়ে আগে ভাবে তার পর দেশ নিয়ে। তবে হ্যা বিশ্ব পরিচিত হবার জন্য জাতী কে গুরুত্ব দেয়া হয়, এটা সেষ্টেম, তার মানে এই নয় যে মানুষ ধর্মের আগে দেশ ভাবে, তাহলে আমার দেশের উপার্জনের টাকায় কেউ ভারতে বাড়ি কিনতো না, বা পাকিস্তানের বদলে দুবাইকে অল্টারনেট ভেবে ফ্লাট কিনত না।
  • গোয়ারের মতন আমার যতটুকু ভালো লাগে সেটাই বিশ্বাস করা দলকানা স্বভাবের অংশ।
  • তেমনি মাথা ব্যাথা নেই কে আগে বাংগালী বা আগে মুস্লিম এটা নিয়াও, যে যেটা মেনে নিয়ে আরামে থাকে সেটাই ভালো। তবে কোন ব্যাপারেই উগ্রতা ভালোনা, উগ্র দেশ প্রেমিক ও দেশের জন্য খারাপ। একজন মুক্তমনা হইতে গেলে বিরধি পক্ষএর মতামতো সমান গুরুত্ব নিয়া দেখার চেষ্টা করা উচিত। কেউ দারি রাখলে যে সে রাজারের দোশর হয়ে গেছে, ভাবাটা যেমন ভুল, তেমনি কারো মোচ থাকলে রাবন ভাবাটা আর এক বোকামি। তুমি সাইকোলজি জানা চেষ্টা করছ দেখে ভালো লেগেছে।
  • রাজাকার ধষক এর মানসিকতা আমি বোঝতে চাই না । যেসব পরিবার তাদের আদর পেয়েছে তারা বোঝে।
  • তোমাদের এই মানুষিকতাই দায়ী আজকের এই প্রশ্ন আসার জন্য। তোমরা যুক্তি না বুঝে একতরফা ঝাপিয়ে পরো,
  • তুমি আমার যুক্তি কে আমার বিশ্বাস বানাতে পারোনা, যেটা তুমি ব্যাক্তি আক্রমন করে করলে
  • These are totally two different questions. Don't try to mixed these up. I am bangali and I am muslim. another one may be bangali and Hindu.

[তাড়াতাড়ি লিখেছি, তাই কিছু সংযোজন বা ভুল শব্দের পরিবর্তন করতে পারি। এ নিয়ে রাজনীতি করার কিছু নাই।]