Notice

YouTube.com/BESTTravelers - Visit and SUBSCRIBE to our travel related YouTube Channel named "BEST Travelers"
Showing posts with label Love. Show all posts
Showing posts with label Love. Show all posts

Friday, August 16, 2019

বাংলাদেশের ডিম পাড়া বউ

বিয়ের সপ্তাহখানেক বাদেই আনিস বুঝতে পারলো তার বউ বিথী ঠিক নর্মাল না। অবশ্য এটা সে ধারণা করেছিলো বিয়ের পরদিনই। ভালোবাসাবাসির আগে বিথী যখন বললো কনডম ইউজ করার দরকার নাই কোনো, আনিস অবাক হয়েছিলো।
- তোমার কি সেফ পিরিয়ড চলতেছে?
- না।
- তাহলে? পিল খাবা? পিল খাওয়া ক্ষতিকর স্বাস্থ্যের জন্য।
- পিলও খাবো না।
- তাহলে? প্রটেকশন না ইউজ করলে কনসিভ করে ফেলবা তো। এতো তাড়াতাড়ি বাচ্চা নেয়া ঠিক হবে না।
বিথী কিছুটা বিরক্তি নিয়ে বলেছিলো, 'আমি বলতেছি তো, কোনো সমস্যা হবে না। এতো দ্রুত বাচ্চা আমিও নিবো না। তুমি কনডম রেখে দাও৷ আর কখনো এটা কিনে তোমার টাকা নষ্ট করা লাগবে না।'

তখন বিস্তারিত আলোচনা করার মত ধৈর্য বা পরিস্থিতি না থাকায় আনিস আর কথা বাড়ালো না। তবে খটকা একটা থাকলোই।

ছয় সাতদিন পর একদিন সন্ধ্যা থেকে প্রচন্ড বৃষ্টি শুরু হলো। বাসায় বাজার ছিলো না কোনো। আনিস বিথীকে বললো খিচুড়ি রান্না করো। সাথে ডিম ভাজি। দোতলার ভাবীর বাসা থেকে ডাল আর ডিম ধার করে আনো।
বিথী জানালো, ঘরে ডিম আছে। শুধু ডাউল আনলেই হবে।

ডিম খিচুড়ি পেট ভরে খাওয়ার পর বৃষ্টিভেজা রোমান্টিক রাতে আনিসের ইচ্ছা হলো প্রেম করার। কারেন্ট ছিলো না। মোমবাতি জ্বালাতে জ্বালাতে আনিস বিথীকে জিজ্ঞেস করলো, 'আজও নো প্রটেকশন?'
বিথী হাসলো, 'ইয়েস বেইবি।'
- আচ্ছা বলো তো। তোমার কি কোনো অপারেশন করা আছে? আমাদের কি কখনো বাচ্চা হবে না?
- আরে বাবা এমন কিছুই না। আমি সুস্থ একদম।
- তাহলে? আজ আমাকে খুলে বলতেই হবে। আমি কিছুই শুনবো না। বলো তুমি।

সেদিন রাতেই আনিস জানলো তার বউ অন্য মেয়েদের মত না। বিথী আলাদা। সে আর সবার মত বাচ্চা জন্ম দিতে পারবে না কখনোই। তার সমস্যা হলো, সে ডিম পাড়ে।
এবং আনিস কিছুক্ষণ আগে যে ডিমভাজি খেয়েছে সেটা স্বয়ং তার বউএর পাড়া ডিম।

বমি পরীস্কার করে মাথায় পানি দেয়ার পর আনিস সুস্থ হলো কিছুটা। সে যে শকের মধ্যে চলে গেছিলো খবর শুনে, সেটা একটু কমেছে। ঘরে ডিম না থাকা সত্বেও এতো বড় ডিমভাজি কই থেকে আসলো এবং সেটার স্বাদ এরকম অদ্ভুত কেন, সে ঘটনা জানার পর বমি আটকে রাখা সম্ভব ছিলো না আনিসের পক্ষে।

আলমারির মধ্যে লুকানো দুইটা ডিম বের করে দেখালো বিথী। অনেক বড় সাইজ একেকটার। একসাথে তিনটা মুরগীর ডিমের সমান। ডিমের রঙও আলাদা। নেভি ব্লু কালারের ওপর হালকা লাল ছোপ ছোপ।

বিথী শান্ত গলায় বললো, 'আনিস, তুমি চাইলে আমাকে ডিভোর্স দিয়ে দিতে পারো।'
আনিস ভ্রু নাচালো, 'আমি কিছুই বুঝতে পারতেছি না। সিরিয়াসলি। তুমি আমাকে বুঝাও। একটা মানুষ কেন ডিম পাড়বে? তুমি কি মুরগীর বাচ্চা?'
বিথী রাগলো এবার, 'দেখ মুরগীর বাচ্চা বলে অপমান করবা না। মুরগী ছাড়া আরো অনেক প্রাণীই ডিম দেয়।'
- সে নাহয় দিলো। কিন্তু তুমি তো মানুষ। তুমি কেন দিবা?
- সেটা আমি জানিনা। প্রকৃতি জানে সেটা। তবে আমার ভুল হয়েছে আমি বিয়ের আগে ব্যাপারটা তোমাকে জানাইনি। আসলে আমার সাহস ছিলো না। ডিম পাড়া একটা মেয়েকে এই সমাজ মেনে নিত না কখনোই। তবে পরে ভেবে দেখলাম ব্যাপারটা গোপন রাখলে আসলে তোমাকে ঠকানো হবে। তাই বলে দিলাম। এখন তুমি যা খুশি করো। ডিসিশন তোমার হাতে।
আনিস কি বলবে ভেবে পেলো না। একটু ভেবে বললো, 'আমাদের কি কখনোই বাচ্চা হবে না?'
বিথী দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললো, 'কেন হবে না? ডিমে তা দিলে অবশ্যই হবে। একসাথে চাইলে অনেকগুলা বাচ্চাও হতে পারে। কিন্তু সেগুলা কিসের বাচ্চা হবে আমি ঠিক শিওর না। তবে যদি মানুষের বাচ্চা হয়ও তবুও কোনোধরনের প্রেগনেন্সি, ক্লিনিক, অপারেশন ছাড়া তোমার বউএর একটা বাচ্চা এই সোসাইটি একসেপ্ট করবে না।'

'আচ্ছা আমাকে ভাবার সময় দাও। এটা ছাড়া সেসময় আর বলার মত কিছু খুজে পেলো না আনিস।'

বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেছে। আনিস বিথীকে ছেড়ে দেয়নি। তাদের সংসার খুব ভালোই চলছে। বউ হিসাবে বিথী অসাধারণ। আনিসের ভীষণ কেয়ার নেয়। এতো ভালো রবীন্দ্রসংগীত জানে। জোসনা রাতে ছাদে বসে শুনতে শুনতে মুগ্ধ হয়ে মেয়েটার প্রেমে পড়ে আনিস। বারবার। রান্নার হাত খুবই ভালো বিথীর। বিছানাতেও পারদর্শী। শুধু একটাই সমস্যা, সে ডিম পাড়ে। আনিস মেনেই নিয়েছে। পাড়লে পাড়ে, কি আর করা। রাতে প্রেম করার ইচ্ছা হলে পৃথিবীর সব পুরুষরা বিভিন্ন কথা বলে বউকে কনভিন্স করে। আনিসই একমাত্র ব্যক্তি যে রোমান্টিক গলায় বলে, 'ভীষণ ডিম খেতে ইচ্ছা করতেছে। হবে নাকি?'

এটা সে মজা করেই বলে। বাস্তবে সেই রাতের পর থেকেই সবধরনের ডিম খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে আনিস। নিজের বাচ্চা কিভাবে খাওয়া সম্ভব! তবে আনিস না খেলেও ওর বন্ধুরা খায়। বন্ধুমহলে বিথী ভাবির ডিম রান্নার প্রশংসা কিংবদন্তি আকার ধারণ করেছে। এতো সুস্বাদু ডিম নাকি কেউ কখনো খায়নি। অবশ্য তারা এটাকে মুরগীর ডিম ভেবেই খায়। অনেকের বউ এসে জিজ্ঞেস করে, 'ভাবী আপনার ডিম রান্নার প্রশংসা শুনি। রেসিপি দেন না।'
বিথী হাসে শুধু। বলে রেসিপি তো নাই। সবার মতই রান্না করি। মেবি আমার ডিমটাই আলাদা।
হাসে তারাও।

এদিকে আনিসের বাবা মা বাচ্চার জন্য ভীষণ চাপ দিচ্ছে। তারা নাতি নাতনির মুখ দেখবেই।
আনিস প্লেটে ডিম ভুনা উঠিয়ে দিতে দিতে বলে, 'খেয়ে দেখেন আপনার নাতি নাতনী, কেমন।'
- মানে? কি বলছো?
- কিছু না। বাচ্চা হবে টাইম আসুক।
- বিয়ের দুই বছর হয়ে গেলো, আর কবে টাইম আসবে? আমরা মরে গেলে?
- আচ্ছা খাওয়ার সময় আমরা কথা না বলি এবিষয়ে।
- হ্যা, তুমি তো কথা ঘুরানোর ধান্দায় থাকবা। যাই হোক, ডিম রান্নাটা বরাবরের মতই অসাধারণ হয়েছে। আরেকটা কথা, তোমরা তিনবেলা শুধু ডিম খাও নাকি? তোমার বাসায় আসলেই খালি ডিম দেখি।
বিথী মুচকি হাসে, 'কি করবো বলেন? ঘর ভর্তি খালি ডিম। আপনার ছেলের এনার্জি বেশি তো।'
- এনার্জি বেশি বলতে?
- ইয়ে মানে কিছুনা। খালি ডিম কিনে। ডিমে এনার্জি বাড়ে তো তাই।
আনিসের মা মুখ বাকান, 'বাচ্চা হওয়ার খোজ নাই। এতো এনার্জি দিয়ে সে করবে টা কি!'

আনিসের এখন মাঝে মাঝে নিজেকে ভাগ্যবানই মনে হয়। কয়জন ছেলের বউ এই জামানায় ডিম পাড়তে পারে? আচ্ছা ব্যাপারটা কয়জন হবে না, তার বউই তো পুরো দুনিয়ায় একমাত্র। বিথীই একমাত্র মেয়ে যে ডিম দেয়। তবে এতে আনিসের ক্রেডিটও কি কম? সে ই তো ডিমগুলোর বাবা। নিজেকে মোরগ মনে হয় ওর। পুরুষদের ঐটাকে তো এমনিতেও কক ই বলে, নাকি? হাহাহা, ওরটা আসলেই কক। নিজের মনেই ভীষণ হাসি পায় আনিসের। হাসতে হাসতে হঠ্যাৎ করেই চিন্তাটা আসে মাথায়৷ মাথা ঘুরে ওঠে ওর। ওহ গড। এটা কি সত্যি!
মনে পড়ে বাসর রাতেই কনডম ইউজ না করার কথা বলেছিলো বিথী৷ তার মানে বিথী জানতো সে ডিম পাড়ে? তার মানে কি দাঁড়ায়? আগেও পেড়েছিলো? বিথী ভার্জিন ছিলো না? শিট! আর কিছু ভাবতে পারে না আনিস। বিথী ওর সাথে এতো বড় প্রতারণা করতে পারলো?

কথাটা শুনে বিথী হাসে৷ আরে গাধা তোমার চিন্তার কিছুই নাই। আমি অন্য কোনো ছেলের সাথে কিছু করিনি বিয়ের আগে।
- তাহলে? কিভাবে জানলে যে, তুমি ডিম পাড়ো?
- কারণ আমার আম্মু পাড়তো। আমার নানু পাড়তো। নানুর আম্মুও পাড়তো হয়তো।
- তার মানে তো আমাদের বাচ্চা হওয়া সম্ভব। কিন্তু তুমি বলেছিলে তুমি জানোনা কিসের বাচ্চা হবে।
- কারণ আমি চাইনি আরেকটা ডিম পাড়া মেয়ের জন্ম হোক।
- ছেলেও তো হতে পারে?
- কারোর তো হয়নি, আম্মু বা নানুর।
- তার মানে যে তোমার হবে না তা তো না। আমি রিস্ক নিতে চাই। মেয়ে হয় হোক, আমার বাচ্চা লাগবেই।

এক বছরের জন্য জার্মানি বেড়াতে চলে গেলো আনিস আর বিথী। সেখানেই ডিমে তা দেবে বিথী। দেশে ফিরবে বাচ্চা নিয়েই। বিথী জানিয়েছে, ডিমে তা দেয়ার এক মাসেই বাচ্চা হয়৷ কিন্তু সোসাইটি এক মাসের বাচ্চা মানবে না বলেই একবছরের জন্য বিদেশ যাওয়া।

মিউনিখের একটা গলির ছোট্ট একটা বাড়িতে নয়মাস যাওয়ার পর ডিমে তা দেয়া শুরু করলো বিথী। দুজনই ভীষণ চিন্তিত। কি যে হবে। কেউ জানেনা কিছুই। আরেকটা ডিম পাড়া মেয়ের জন্ম দিয়ে তাকে মানসিক টর্চারের মধ্যে দিয়ে জীবন কাটাতে বাধ্য করা কতটা ঠিক হবে? আনিসের মত একটা বর সে কি পাবে? না পাওয়ার সম্ভাবনাই তো বেশি।

তবে একমাস পরে সব চিন্তা দূর হয়ে গেলো আনিস আর বিথীর। ফুটফুটে একটা ছেলে নিয়ে দেশে ফিরলো এই দম্পতি। বাবা মা সহ সবাই খুব খুশি। ছেলের নাম রাখা হলো নাঈম। তলপেটে বেল্ট বেধে অপারেশন হইছে এরকম একটা অভিনয় করলো বিথী। দেখা গেল, ডিম পাড়া ছাড়াও তার অনেক গুণ। অভিনয়ে বেশ ভালো সে।

কিছুদিন পর আরেকটা বুদ্ধি বের করলো দুজন মিলে। জার্মানি এক বছর থাকাতে বেশ টাকাপয়সা খরচ হয়ে গেছে। এখন ভীষণ হাতটান চলতেছে আনিসের। তাই সে বাসায় রাজহাসের খামার করলো। এবং একদিন বলা শুরু করলো তার একটা রাজহাস অদ্ভুত ডিম দেয়। খেতে অসাধারণ। হু হু করে বাড়া শুরু করলো ডিমের কাটতি। বেশ ভালো ইনকাম আসতে লাগলো রাজহাসের ডিমের সাইজের ডাবল অদ্ভুত এই ডিম বিক্রি করে।

কয়েকদিন পর আনিসের আয় আরো বাড়লো। ডিমের পাশাপাশি খামার থেকে লিটার লিটার দুধ বিক্রি শুরু করলো সে। কারণ তার একমাত্র ছেলে নাঈম অন্যদের থেকে আলাদা। সে ই পৃথিবীর একমাত্র ছেলে, যে প্রসাব করে না। দুধ দেয়!

(COLLECTED)

Tuesday, April 30, 2013

ভালবাসা সম্পর্কিত ৭টি কথা

  1. কারো চোখ, বা ঠোঁট কিংবা সুগঠিত শরীর এর কারনে ভালো লাগে তবে টা ভালবাসা নয়,বাছাই করা...
  2. কারো বুদ্ধিমত্তা বা জীবনের দূরদর্শিতা থেকে কাউকে ভালো লাগে তবে তা ভালবাসা নয়,প্রশংসা মাত্র...
  3. কারো অর্থ-সম্পত্তি দেখে কাউকে ভালো লাগে তবে তা ভালবাসা নয়,লোভ...
  4. উ ছেড়ে যেতে চাচ্ছে বলে অপরজন সবসময় কাঁদে তবে তা ভালবাসা নয়,করুণা...
  5. মনঃবাসনা পূরণের জন্য কাউকে দরকার হলে তবে সেটা ভালবাসা না, লালসা...
  6. যদি এটা ঘুমাতে, খেতে কিংবা পড়তে ভুলিয়ে দেয় তবে তা ভালবাসা নয় মোহ...
  7. আপনি জানেন না কেন তবু ওই মানুষটাকে ভালো লাগে তবে সেটাই ভালবাসা... 
ভালবাসতে কেবল একটি কারন লাগে আর তা হল অজানা...

Wednesday, April 3, 2013

10 ways to make women happy


  1. Look good and smell great for your wife.
  2. Be a good listener.
  3. Make her feel secure, don't threaten her with divorce.
  4. Express to her relatives, how wonderful she is.
  5. Leave the past for Allah, don't dwell on, dig into, or bring it up.
  6. Don't act as if you are doing her a favour by working or providing, Allah is the Provider, the husband is the carrier of the sustenance to the family.
  7. Respect that she might not be in mood for intimacy, stay within Halaal boundaries.
  8. Help her take care of the children.
  9. Remember you are not always right or perfect yourself.
  10. Go out on a date or a get-away for the weekend in a nice location, preferably without kids.

Tuesday, March 26, 2013

আব্বু তোমাকে অনেক ভালবাসি

আব্বুর দেয়া গ্যালাক্সি এস থ্রি মোবাইলের স্ক্রীন গার্ড কিনতে গিয়েছিলাম বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার গেইটের সামনের গ্যাজেট এন্ড গিয়ার দোকানে। দোকানে বসা নাদুস নুদুস একজন যুবক। সাস্থ্য আর চেহারায় মোবাইলের দোকানদার মনে হয়না। অভিজাত পরিবারের সন্তান মনে হয়। মোবাইল দেখে বললো ২০০ টাকা লাগবে গার্ড কিনতে আমি রাজি হয়ে মোবাইল বের করে দেই। লোকটি মোবাইলকে ব্রাশ দিয়ে মুছে সব ময়লা পরিস্কার করছে খুব যত্ন নিয়ে। এমন আদর আমি আমার মোবাইলরে কোনদিন করি নাই। আমাকে জিজ্ঞাসা করে এটি আপনার আব্বু কিনে দিসে না?? আমি বললাম হ্যাঁ। কেন বলেন তো? লোকটি বললো মানুষ নিজের জন্য এতো দাম দিয়ে জিনিস কিনেনা কিনলে তার চেয়েও ভালোবাসে যাকে তারজন্য কিনে। আমি নিশ্চিত আপনার আব্বু নকিয়া ১১০০ টাইপের মোবাইল ব্যবহার করে। আমি কল্পনা করার চেষ্টা করলাম আব্বু আসলে কি ব্যবহার করে। চোখের সামনে ভেসে আসলো আব্বার ভাঙ্গাচুরা মোবাইল। সঙ্গেসঙ্গে চোখ দিয়ে পানি এসে পড়লো। দোকানদার জোরে নিশ্বাস ছেড়ে বললো আমার বাবাও এমন ছিলো। আমি দিনরাত টাকা ঊড়াতাম ক্লাব পার্টি ডিস্কো। কখনো চিন্তা করতাম না ৫০০/৬০০ টাকার সিগারেটের প্যাকেটে আমার বাবার ঘাম লেগে আছে।

আজ বাবা নেই বাবার সাথে সাথে তার সব সম্পদও বিলুপ্ত হয়েছে। আমি অপদার্থ সন্তান বাবারঅসুস্থতার সময়ও তার ব্যবসাপাতির হাল ধরিনি। এখন বুঝেছি মাথার উপর থেকে ছায়া সরে যাবার পর। লোকটার কথা শুনার পর থেকে মনটা অস্থির হয়ে আছে সত্যিই তো আমি তুমি আমরা কেউই জানিনা আমাদের বাবারা কত কষ্টে আমাদের অর্থের যোগান দিচ্ছেন। আমাদের সুখের জন্য দিন রাত অমানুষের মত কাজ করে যান। আমাদের আবদার মেটান। কিন্তু আমরা একবারও তা উপলব্ধি করতে পারিনা। একবার এক পরীক্ষায় খারাপকরলাম । পগ্রেস কার্ড নিয়া বাবাকে দেখানো মাত্র কইশ্যা একটাথাবরা দিলো । আর আম্মারে কইলো আইজ থাইকা ওর ভাত এই ঘরে বন্ধ। আমি তো আরামে চাচার বাসায় গিয়া সিনেমা দেখতাসি। দুপুর পার হইয়া বিকাল হইলো। দেখি আব্বু চাচার বাসায় হাজির। চাচারে কইলো তুই এই হারামীরে ঘরে জায়গা দিলিকেন? পরে শুনি বাবা সারাদিন না খেয়ে আমার সব বন্ধুর বাসায় আমারে খুজছে। বাবা তুমি এত ভালো কেন?

-Collected....

( বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ কথা গুলোর মর্ম অর্থ বুঝতে শুরু করেছিলাম যেদিন থেকে উপার্জন করতে শুরু করেসিলাম।কিন্তু এখন কেন জানি একটু বেশিই বুঝতে পারি। আব্বু তোমাকে অনেক ভালবাসি- তোমার পাশে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থাকবো। শুধু আমার জন্য দোয়া চাই ,আর কিছু আর চাইনা।আল্লাহ তোমাকে অনেক দিন সুস্থ ভাবে আমাদের মাঝে রাখুক এই দোয়া আমি ও করি, আর আপনাদের কেও করতে বললাম।)

Friday, January 27, 2012

মৃত প্রেমিকাকেই বিয়ে

থাইল্যাণ্ডে একজন প্রেমিক তার ভালোবাসার প্রতিজ্ঞাকে পূর্ণ করার জন্য তার মৃত প্রেমিকাকে বিয়ে করেছিল। ২৯ বছর বয়স্কা Sarinya Kamsook এবং তার ২৮বছর বয়সী প্রেমিক, Chadil Deffy, এই বছর বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ হতে যাচ্ছিলেন। Sarinya Kamsook এই শুভক্ষণটির পূর্বেই একটি সড়ক দুর্ঘটনার স্বীকার হন,এবং দুর্ভাগ্যবশত মারা যান। কিন্তু, পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে deffy তাঁকে বিয়ে করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। Sarinya গাড়ি দুর্ঘটনায় তীব্রভাবে আহত হয়েছিল। তাকে নিয়মিত চিকিৎসা ও দেখাশোনার জন্য হসপিটালে স্থানান্তরের বেশ প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু, ডাক্তার তাঁকে অন্য একটি হাসপাতালে তাকে স্থানান্তর করার পরিবর্তে একটি জনাকীর্ণ ICU তে ৬ ঘন্টার জন্য অপেক্ষা করালো। এই কঠিন সময়ের মাঝে Sarinya সবার কাছ থেকে চিরদিনের জন্য বিদায় নিল । থাইল্যাণ্ডের সুরিনে সারিনার শেষকৃত্যের সময়, Chadil তার ভালোবাসার Sarinya হাতের আঙুলে বিয়ের আংটিটি পড়িয়ে দিলো । এর মধ্যে দিয়ে একটি শেষকৃত্য অনুষ্ঠান বিয়েতে পরিণত হল। পৃথিবীতে এমন বিরল ভালোবাসার নিদর্শন আজও পাওয়া যায়।।

Thursday, January 26, 2012

পাত্রী খোঁজের গাণিতিক সূত্র

সম্প্রতি জেনেভা স্কুল অব বিজনেসের গবেষকরা দাবি করেছেন, তারা আদর্শ পাত্রী খুঁজে বের করার গাণিতিক সূত্র উদ্ভাবন করেছেন।
  • গবেষকদের মতে, আদর্শ গৃহিণী হতে হলে কনেকে বরের চেয়ে কমপক্ষে পাঁচ বছরের ছোটো হতে হবে। 
  • গবেষকদের মতে, আদর্শ গৃহিণী খুঁজে দীর্ঘস্থায়ী পারিবারিক জীবনযাপন করতে হলে বর-কনের বয়সের পার্থক্য হতে হবে কমপক্ষে পাঁচ বছর এবং তারা একইরকম পারিবারিক সংস্কৃতি থেকে উঠে আসতে হবে এবং মেয়েকে ছেলের তুলনায় বেশি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হতে হবে।
  • গবেষকরা জানিয়েছেন, আদর্শ পরিবার গঠনের উদাহরণ হিসেবে ডিউক অব এডিনবরা এবং রানীর কথাটি বলা যায়। এ ক্ষেত্রে ডিউক এবং রানীর বয়সের পার্থক্য প্রায় ৫ বছরের। গবেষণার ফল প্রকাশিত হয়েছে ইউরোপীয় গবেষণা সাময়িকী ‘অপারেশনাল রিসার্চ’-এ। 
  • গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, সুখী এবং দীর্ঘস্থায়ী দাম্পত্যে সামাজিকতার বিষয়গুলো গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মেয়েদের শতকরা ১৭ ভাগ বেশি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হতে হবে এবং পড়াশোনার ক্ষেত্রে ছেলেদের চেয়ে কমপক্ষে একটি বেশি ডিগ্রিধারী হতে হবে।
  • গবেষণায় দেখা গেছে ফর্সা মেয়েদের তুলনায় শ্যামলা, উজ্জ্বল শ্যামলা কিম্বা কালো রং এর মেয়েরা স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যদের বেশী ভক্তি করে। 
  • গবেষণায় আরো দেখা গেছে স্বাস্থ্যবতী মেয়েরা শান্ত শিষ্ট ও ধর্য্যশীল হয় আর ক্ষীন স্বাস্থ্যের মেয়েরা খিটখিটে মেজাজের হয়।
  • জানা গেছে, যে পাত্রীরা তুলনামূলক আলজেবরায় ভালো, তারা সাংসারিক দুঃখ সুখ শেয়ারিং এ ভালো, আর যারা পাটীগণিতে ভালো তারা কিছুটা স্বার্থান্বেষী ধরণের হয়। আর জিওমেট্রিতে ভালো যারা, তাদের লোভ বেশী থাকে। 
  • আর, যাদের গলার স্বর চিকন থাকে, তারা বেশ লাজুক ধরণের হয়, সুরেলা কন্ঠের অধিকারীরা স্বাধীনচেতা, এবং অল্প কিছুদিনে একঘেয়েমীতে ভোগে, মোটা কন্ঠের অধিকারীরা কিছুটা রাগি এবং গম্ভীরভাবের হয়। অনেকাংশে তাদের মন ভালো হয়ে থাকে, অনেক সময় থাকে না। 
  • এছাড়াও, যেসব মেয়েরা খুব সামান্য কিছুতেই ভয় পায়, বা নোংরা দেখে খুব বেশী রিআ্যাক্ট করে এবং নাক সিঁটকায়, তাদের সাথে সম্পর্কের আগে বেশ ক’বার ভাববেন! কারণ তারা, বেশ আহ্লাদী এবং ডোমিনেটিং স্বভাবের হয়। 
  • যারা খুব বেশি খুতখুতে, কাপড় কেনার সময়, ইউনিকনেস এবং দামী হওয়া যা কিনা স্ট্যটাস সিম্বলের প্রতীক, তাদের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যদের সাথে মানবে কিনা, ভালো করে একবার ভেবে দেখবেন
  • এ সব নিয়ম মেনে বিয়ে করলে শতকরা ২০ ভাগ সংসার সাধারণের তুলনায় বেশিদিন টিকে থাকার সম্ভাবনা থাকে।
  • তবে গবেষকরা জানিয়েছেন, বিয়ে বিষয়টি অনেকটাই টিম ওয়ার্ক এবং পারিবারিক ঐতিহ্যের বিষয়। তবে একজন আরেক জনের ওপর বেশি আধিপত্য দেখাতে গেলেই সর্বনাশ ঘটতে পারে।

Saturday, December 3, 2011

Respect Your Mother

এক মহিলার গর্ভে সন্তান রেখে তার স্বামী মারা যায়, এবং কিছুদিন পর ওই মহিলার একটি পুত্র সন্তান হয়, মহিলাটি অনেক কষ্ট করে তার ছেলেকে লালন- করে , এবং প্রাপ্ত বয়স্ক হলে সেই
ছেলেটিকে বিয়ে করায়.....

বিয়ের কিছু দিন পর ছেলেটি তার মায়ের সাথে খারাপ আচরন করে, এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়...!!!

তখন মহিলা কোন দিশ না পেয়ে ওই এলাকার মোড়লের কাছে বিচার দেয়, তখনমোড়ল বিচার বসায়, এবং ওই ছেলেটিকে বলে ঠিক আছে তোর মা কে তোর দেখাশুনা করা লাগবে না, তবে আমার একটি শর্ত আছে...! ছেলেটি বলল কি শর্ত... মোড়ল বলল তোর মা তো তোকে ১০ মাস ১০ দিন পেটে রেখে জন্ম দিয়েছে...তোর এই ঋণ শোধ করতে হবে...!!!!

তখন ছেলেটি শর্তে রাজি হল....মোড়র তার পেটে একটা ইট বেধে দিয়ে বলল , এটা তুই ১০ মাস ১০ দিন না ৩ মাস তোর পেটে বেধে রাখবি...তা হলে তোর অপরাধ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, এবং তোর মায়ের দেখা শোনা আমি করব।

ছেলেটি মোড়ল এর কথায় রাজি হল এবং ইট বাধা অবস্থায় চলে গেলো । ইট বাধা অবস্থায় তার ১-২দিন ভালই গেলো , কিন্তু ২ দিন পর ইট তার কাছে ১০মন ওজনপাথর এর মতো লাগলো,
তখন ছেলেটি তার ভুল বুঝতে পেরে মায়ের পায়ের কাছে পড়ে যায়, সে বুঝতে পারে, একটি মা কি পরিমান কষ্ট সহ্য করে একটি সন্তান জন্ম দেয়...!!! !

Saturday, October 15, 2011

Why girls fall in love with bad boys?

Narcissistic, thrill-seeking and deceitful men are the kinds that sweep women off their feet because they associate these traits with masculinity, according to a new study.

Adrian Farnham, a professor of psychology at University College London, argued that "dark side" traits can have "bright side" consequences, especially in the workplace.

"These people may be particularly good at certain types of work involving quality control, auditing, checking etc.," the Daily Star quoted Farnham as saying.

"Equally, the flamboyance and theatricality of histrionic types may make them excellent public speakers or 'creatives'."

The study also found women were more likely than men to be excitable, moody, perfectionist or aggressive.

The research is published in the Personality and Individual Differences journal.

[Source: Internet]